আজ ৪ আগষ্ট রোজ মঙ্গলবার বেলা বারো ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বইপড়া কর্মসূচীর শুভ সূচনা করা হয়।
আজ ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মহোদয় এর উপস্থিতিতে
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “বই পড়ি, দেশ গড়ি” নির্দেশনার আলোকে ‘বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬’ এর শুভ সূচনা হয়েছে। আজ জেলা প্রশাসক মো: আবুসাঈদ, বিভিন্ন স্কুলে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের সাথে বই পড়া বিষয়ক আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বই পড়ার উপকারিতা এবং নতুন নতুন স্বপ্নের কথা বলেন যে, স্বপ্ন বাস্তবায়নে বই কিভাবে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে সে বিষয়েও বিভিন্ন মন্তব্য করেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: আবু তালেব পুরো আয়োজনের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন শিক্ষার্থীদের মাঝে। তাদের কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষার্থীরা বই পড়া কর্মসূচীতে অংশগ্রহনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। অআকখ এর সংগঠক শেখ ফাতিমা পাপিয়া শিক্ষার্থীদের বলেন, "সাহিত্যের কাজ সম্পর্ক তৈরি করা, আমরা আমাদের বন্ধুত্ব আরো দৃঢ় করবো বই পড়ার মাধ্যমে।"
শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাসের সাথে বই পড়া কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করে। পড়াশোনার পাশাপাশি সৃজনশীলতা, কল্পনাশক্তি ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা হোক আমাদের প্রতিদিনের অনুশীলন। প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থীদের সাথে সাহিত্যের সম্পর্ক, বই পড়ার উপকারিতা, অংশগ্রহণের নিয়মাবলি এবং আয়োজনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত হবে বই পড়া কর্মসূচী, খুঁজে বের করা হবে সেরা সব পাঠকদের। প্রতিযোগিদের জন্য থাকবে বিভিন্ন পুরষ্কার ও সনদ। বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে থাকবে সাহিত্য আড্ডা। উপজেলা এবং জেলা পর্যায়েও আয়োজিত হবে এই কর্মসূচি।
কর্মসূচির মূল বৈশিষ্ট্য ও প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী:
* তিনটি বিভাগে অংশগ্রহণ: ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণি 'ক' বিভাগ, নবম-দশম শ্রেণি 'খ' বিভাগ এবং একাদশ-মাস্টার্স 'গ' বিভাগে অংশ নেবে।
* নির্বাচিত বইয়ের তালিকা: বাংলা সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস, বিজ্ঞান, জীবনী ও নৈতিক শিক্ষাবিষয়ক গ্রন্থসমূহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
* মূল্যায়ন পদ্ধতি: লিখিত (২০ নম্বর), মৌখিক (১০ নম্বর) এবং বই উপস্থাপনা ও বিশ্লেষণের (২০ নম্বর) মাধ্যমে মোট ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।
* উপজেলা থেকে জেলা পর্যায়: প্রতিটি উপজেলা থেকে ৩টি বিভাগে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থী জেলা পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
* আকর্ষণীয় পুরষ্কার: প্রতি গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম রানার-আপ ও দ্বিতীয় রানার-আপকে আকর্ষণীয় পুরস্কারসহ জেলা পর্যায়ের সকল অংশগ্রহণকারীকে সনদপত্র দেওয়া হবে।
জেলা পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে ৭টি বিশেষ উপ-কমিটি গঠন করা হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসন বিশ্বাস করে, একটি আলোকিত সমাজ গঠনে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই এবং এই মহৎ উদ্যোগকে সফল করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম।
জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, এবং পাঠক সহযোগিতায় মাঠ পর্যায়ে সহযোগিতা করবে বই পড়ুয়াদের সংগঠন, অ আ ক খ।
আজ ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মহোদয় এর উপস্থিতিতে
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “বই পড়ি, দেশ গড়ি” নির্দেশনার আলোকে ‘বই পড়া কর্মসূচি-২০২৬’ এর শুভ সূচনা হয়েছে। আজ জেলা প্রশাসক মো: আবুসাঈদ, বিভিন্ন স্কুলে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের সাথে বই পড়া বিষয়ক আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বই পড়ার উপকারিতা এবং নতুন নতুন স্বপ্নের কথা বলেন যে, স্বপ্ন বাস্তবায়নে বই কিভাবে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে সে বিষয়েও বিভিন্ন মন্তব্য করেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: আবু তালেব পুরো আয়োজনের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন শিক্ষার্থীদের মাঝে। তাদের কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষার্থীরা বই পড়া কর্মসূচীতে অংশগ্রহনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। অআকখ এর সংগঠক শেখ ফাতিমা পাপিয়া শিক্ষার্থীদের বলেন, "সাহিত্যের কাজ সম্পর্ক তৈরি করা, আমরা আমাদের বন্ধুত্ব আরো দৃঢ় করবো বই পড়ার মাধ্যমে।"
শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাসের সাথে বই পড়া কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করে। পড়াশোনার পাশাপাশি সৃজনশীলতা, কল্পনাশক্তি ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা হোক আমাদের প্রতিদিনের অনুশীলন। প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থীদের সাথে সাহিত্যের সম্পর্ক, বই পড়ার উপকারিতা, অংশগ্রহণের নিয়মাবলি এবং আয়োজনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত হবে বই পড়া কর্মসূচী, খুঁজে বের করা হবে সেরা সব পাঠকদের। প্রতিযোগিদের জন্য থাকবে বিভিন্ন পুরষ্কার ও সনদ। বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে থাকবে সাহিত্য আড্ডা। উপজেলা এবং জেলা পর্যায়েও আয়োজিত হবে এই কর্মসূচি।
কর্মসূচির মূল বৈশিষ্ট্য ও প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী:
* তিনটি বিভাগে অংশগ্রহণ: ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণি 'ক' বিভাগ, নবম-দশম শ্রেণি 'খ' বিভাগ এবং একাদশ-মাস্টার্স 'গ' বিভাগে অংশ নেবে।
* নির্বাচিত বইয়ের তালিকা: বাংলা সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস, বিজ্ঞান, জীবনী ও নৈতিক শিক্ষাবিষয়ক গ্রন্থসমূহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
* মূল্যায়ন পদ্ধতি: লিখিত (২০ নম্বর), মৌখিক (১০ নম্বর) এবং বই উপস্থাপনা ও বিশ্লেষণের (২০ নম্বর) মাধ্যমে মোট ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।
* উপজেলা থেকে জেলা পর্যায়: প্রতিটি উপজেলা থেকে ৩টি বিভাগে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থী জেলা পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
* আকর্ষণীয় পুরষ্কার: প্রতি গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম রানার-আপ ও দ্বিতীয় রানার-আপকে আকর্ষণীয় পুরস্কারসহ জেলা পর্যায়ের সকল অংশগ্রহণকারীকে সনদপত্র দেওয়া হবে।
জেলা পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের অধীনে ৭টি বিশেষ উপ-কমিটি গঠন করা হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসন বিশ্বাস করে, একটি আলোকিত সমাজ গঠনে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই এবং এই মহৎ উদ্যোগকে সফল করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম।
জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, এবং পাঠক সহযোগিতায় মাঠ পর্যায়ে সহযোগিতা করবে বই পড়ুয়াদের সংগঠন, অ আ ক খ।