কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেনের বদলিকে কেন্দ্র করে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তার বর্তমান দায়িত্ব থেকে প্রত্যাবর্তনের আদেশকে কেউ কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘বদলি বাতিল’ বা ‘প্রত্যাহার’ হিসেবে প্রচার করছেন। তবে সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী, নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনের ডিফেন্স অ্যাডভাইজার হিসেবে তার নিয়োগের প্রক্রিয়া আগেই শুরু হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিউইয়র্কে ডিফেন্স অ্যাডভাইজার হিসেবে তাকে নিয়োগের বিষয়ে গত ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর প্রায় এক মাস আগেই তার নিরাপত্তা ছাড়পত্রের প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে গত ১৮ আগস্ট প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপিত নোটশিট অনুমোদিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার তার নতুন দায়িত্বের বিষয়ে সরকারি আদেশ (জিও) জারি করা হয়।
এ কারণে গত ১৮ আগস্ট তার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে তাকে কারা মহাপরিদর্শকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে—এমন দাবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের মিল নেই বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তাদের মতে, নতুন দায়িত্বটি নিয়মিত রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ার অংশ।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে কারা বিভাগের গত দুই বছরের সংস্কার, বন্দি ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন তিনি। এতে জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কারাগার থেকে বন্দি পালানো, পলাতকদের পুনরায় গ্রেপ্তার এবং এখনও পলাতক বন্দিদের বিষয়েও তথ্য দেওয়া হয়।
এ সময় ক্যাশলেস কারাগার, এআইভিত্তিক সিসিটিভি মনিটরিং, অনলাইন ভিজিটর ম্যানেজমেন্ট, জ্যামিং সিস্টেম, আরএফআইডি ও জিপিএস ট্র্যাকার এবং অনলাইন সাক্ষাৎকার ব্যবস্থাপনার মতো উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়।
কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) বলেন, কারা মহাপরিদর্শক গত দুই বছর অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং এর পেছনে কোনো কারণ রয়েছে বলে তার জানা নেই।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বদলি নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে তার নতুন দায়িত্ব এবং কারা বিভাগের সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে তথ্যভিত্তিকভাবে মূল্যায়ন করা উচিত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিউইয়র্কে ডিফেন্স অ্যাডভাইজার হিসেবে তাকে নিয়োগের বিষয়ে গত ৩০ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর প্রায় এক মাস আগেই তার নিরাপত্তা ছাড়পত্রের প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে গত ১৮ আগস্ট প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপিত নোটশিট অনুমোদিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার তার নতুন দায়িত্বের বিষয়ে সরকারি আদেশ (জিও) জারি করা হয়।
এ কারণে গত ১৮ আগস্ট তার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে তাকে কারা মহাপরিদর্শকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে—এমন দাবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের মিল নেই বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তাদের মতে, নতুন দায়িত্বটি নিয়মিত রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ার অংশ।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে কারা বিভাগের গত দুই বছরের সংস্কার, বন্দি ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন তিনি। এতে জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কারাগার থেকে বন্দি পালানো, পলাতকদের পুনরায় গ্রেপ্তার এবং এখনও পলাতক বন্দিদের বিষয়েও তথ্য দেওয়া হয়।
এ সময় ক্যাশলেস কারাগার, এআইভিত্তিক সিসিটিভি মনিটরিং, অনলাইন ভিজিটর ম্যানেজমেন্ট, জ্যামিং সিস্টেম, আরএফআইডি ও জিপিএস ট্র্যাকার এবং অনলাইন সাক্ষাৎকার ব্যবস্থাপনার মতো উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়।
কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) বলেন, কারা মহাপরিদর্শক গত দুই বছর অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং এর পেছনে কোনো কারণ রয়েছে বলে তার জানা নেই।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বদলি নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে তার নতুন দায়িত্ব এবং কারা বিভাগের সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে তথ্যভিত্তিকভাবে মূল্যায়ন করা উচিত।