২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে চট্টগ্রামে ৬ জন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষীদের ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জবানবন্দি দেওয়া থেকে বিরত রাখতে সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর অনুসারীরা সাক্ষীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সাক্ষী।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আওয়ামী লীগের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও ফজলে করিম চৌধুরীসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। ৬ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত থাকলেও আসামিপক্ষ অভিযোগ গঠনের আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করায় তা স্থগিত রয়েছে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর এ আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগেই বিদেশি বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে হুমকি এবং জবানবন্দি না দিতে আর্থিক প্রলোভন দেওয়ার অভিযোগ করেছেন সাক্ষীরা। এমনকি বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাদের।
তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জবানবন্দি দেওয়া সাক্ষী সম্রাট রোবায়েত অভিযোগ করেন, ফজলে করিম চৌধুরীর ছেলে ফারাজ করিমের পিএস সাইদুল ইসলাম স্বজনদের মাধ্যমে তাকে হুমকি ও প্রলোভন দিচ্ছেন। সাক্ষ্য থেকে সরে দাঁড়ালে ভবিষ্যতে ‘সেটেল’ করে দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে আদালতে সত্য তুলে ধরার কথা জানিয়েছেন সম্রাট।
অন্য সাক্ষী আনিস আহমেদ জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের ফোন নম্বর ও বাড়ির ঠিকানাও অভিযুক্তদের কাছে পৌঁছে যাওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
পরিস্থিতি বিবেচনায় সাক্ষীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, এসব অভিযোগের সত্যতা থাকলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ট্রাইব্যুনালে জানানোর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছেও লিখিতভাবে জানানো উচিত।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আওয়ামী লীগের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও ফজলে করিম চৌধুরীসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। ৬ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত থাকলেও আসামিপক্ষ অভিযোগ গঠনের আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করায় তা স্থগিত রয়েছে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর এ আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগেই বিদেশি বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে হুমকি এবং জবানবন্দি না দিতে আর্থিক প্রলোভন দেওয়ার অভিযোগ করেছেন সাক্ষীরা। এমনকি বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাদের।
তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জবানবন্দি দেওয়া সাক্ষী সম্রাট রোবায়েত অভিযোগ করেন, ফজলে করিম চৌধুরীর ছেলে ফারাজ করিমের পিএস সাইদুল ইসলাম স্বজনদের মাধ্যমে তাকে হুমকি ও প্রলোভন দিচ্ছেন। সাক্ষ্য থেকে সরে দাঁড়ালে ভবিষ্যতে ‘সেটেল’ করে দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে আদালতে সত্য তুলে ধরার কথা জানিয়েছেন সম্রাট।
অন্য সাক্ষী আনিস আহমেদ জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের ফোন নম্বর ও বাড়ির ঠিকানাও অভিযুক্তদের কাছে পৌঁছে যাওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
পরিস্থিতি বিবেচনায় সাক্ষীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, এসব অভিযোগের সত্যতা থাকলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ট্রাইব্যুনালে জানানোর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছেও লিখিতভাবে জানানো উচিত।