নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আইনি সহায়তা দিতে সম্প্রতি গঠিত ‘বাংলাদেশ আইন সহায়ক পরিষদ’ নিয়ে দলটির ভেতরেই বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের পাশে থাকা অনেক আইনজীবীকে বাদ দিয়ে বিতর্কিত রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিদের পরিষদে স্থান দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে দুঃসময়ে আ. লীগের শতাধিক নেতা-কর্মীকে আইনি সহায়তা দেওয়া আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন (রাখি)-এর নাম পরিষদে না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের একাংশ। সরকার পতনের পর বিভিন্ন মামলায় আ. লীগের নেতা-কর্মীদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে সক্রিয় ছিলেন তিনি। তবে রাখি জানিয়েছেন, কোনো পদ বা প্রাপ্তির আশায় নয়, দলের দুঃসময়ে দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি আইনি সহায়তা দিয়েছেন।
অন্যদিকে, পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে থাকা ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান হিরনকে ঘিরেই মূলত এই বিতর্ক। তাঁর বিরুদ্ধে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের জামিন করিয়ে দেওয়ার নামে ‘জামিন বাণিজ্যের’ অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় হিরন ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে আইন পেশায় যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন এবং ২০২৩ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় যশোর-৪ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্যের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে আওয়ামী রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
তবে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে। ওই সময় তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও উপদেষ্টাদের প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন।
এক অভিযোগে দাবি করা হয়, বর্তমানে বিপদে পড়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে হাইকোর্টে জামিন বাণিজ্য করছেন হিরন।
এদিকে হিরনের পরিবারের একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে। তাঁর বাবা ও কয়েকজন চাচা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বা বর্তমানে যুক্ত রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
এর মধ্যে দুঃসময়ে আ. লীগের শতাধিক নেতা-কর্মীকে আইনি সহায়তা দেওয়া আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন (রাখি)-এর নাম পরিষদে না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের একাংশ। সরকার পতনের পর বিভিন্ন মামলায় আ. লীগের নেতা-কর্মীদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে সক্রিয় ছিলেন তিনি। তবে রাখি জানিয়েছেন, কোনো পদ বা প্রাপ্তির আশায় নয়, দলের দুঃসময়ে দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি আইনি সহায়তা দিয়েছেন।
অন্যদিকে, পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে থাকা ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান হিরনকে ঘিরেই মূলত এই বিতর্ক। তাঁর বিরুদ্ধে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের জামিন করিয়ে দেওয়ার নামে ‘জামিন বাণিজ্যের’ অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় হিরন ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে আইন পেশায় যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন এবং ২০২৩ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় যশোর-৪ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্যের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে আওয়ামী রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
তবে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে। ওই সময় তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও উপদেষ্টাদের প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন।
এক অভিযোগে দাবি করা হয়, বর্তমানে বিপদে পড়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে হাইকোর্টে জামিন বাণিজ্য করছেন হিরন।
এদিকে হিরনের পরিবারের একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে। তাঁর বাবা ও কয়েকজন চাচা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বা বর্তমানে যুক্ত রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।