জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দফতরে ‘নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জ’-এ সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সাথে নিয়ে তিনি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক বাসস’কে এ তথ্য জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ।
অধিবেশনস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। বিশ্বনেতাদের সাথে মর্যাদাপূর্ণ এই বৈশ্বিক ফোরামের উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেন তিনি।
এবারের অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া তিনি সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে (জেনারেল ডিবেট) বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন। বক্তব্যে তিনি বিশ্ব শান্তিরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সাথে অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দফতরে ‘নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জ’-এ সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সাথে নিয়ে তিনি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক বাসস’কে এ তথ্য জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ।
অধিবেশনস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। বিশ্বনেতাদের সাথে মর্যাদাপূর্ণ এই বৈশ্বিক ফোরামের উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেন তিনি।
এবারের অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া তিনি সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে (জেনারেল ডিবেট) বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন। বক্তব্যে তিনি বিশ্ব শান্তিরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সাথে অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।