মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ইউরো ও বিশ্বকাপ জিতে রেকর্ড গড়েছেন স্পেন ও বার্সেলোনার বিস্ময়বালক লামিনে ইয়ামাল। সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান ফুটবলের কৌশল, ব্যালন ডি’অর এবং নিজের খেলার দর্শন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই তরুণ তারকা।
আধুনিক ফুটবলে অতিমাত্রায় কৌশল ও বিশ্লেষণের প্রভাব নিয়ে ইয়ামাল বলেন, ফুটবল এখন বেশ যান্ত্রিক হয়ে উঠেছে। আমাকে থামানোর জন্য প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডাররা রোবটের মতো তৈরি হয়ে মাঠে আসে। রোবট হয়তো প্রায় নিখুঁত হতে পারে, কিন্তু একজন মানুষের মধ্যে এমন কিছু থাকে যা রোবটের থাকে না। ফুটবল যতই যান্ত্রিক হোক, আমার বা পেদ্রির মতো খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই আলাদা জাদুকরি ছোঁয়াটা আছে।
ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জয়ের শক্ত দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে ইয়ামালকে। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ইয়ামাল বলেন, সত্যি বলতে, শুধু এই বছরই নয়, বেশ কিছুদিন ধরেই আমি ব্যালন ডি’অর পাওয়ার মতো স্তরে খেলছি। সবাই জানে আমি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারি। আমাকে কেবল জিতে যেতে হবে, একসময় সব বিতর্কের অবসান ঘটবে।
কম বয়সে বিপুল অর্থ, খ্যাতি ও চাপের মুখে পড়ার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে রোকাফোন্দার কঠিন শৈশবের স্মৃতি স্মরণ করেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড, ফুটবলে হারানোর কিছু নেই। আমি আমার মাকে কষ্ট করতে দেখেছি যাতে আমি ফুটবল খেলতে পারি। আমার বাবাকে রাস্তায় স্ক্র্যাপ কুড়াতে দেখেছি যাতে আমি খেতে পারি- আসল ভয় তো ওটা। এখন আমার পরিবারকে সাহায্য করার সামর্থ্য আছে, তাই ফুটবলে কোনো ভয় পাই না।
মাঠের পারফরম্যান্সে দর্শকদের আনন্দ দেওয়াকেই নিজের মূল চালিকাশক্তি মনে করেন ইয়ামাল, আমি টাকার জন্য খেলি না, খেলাটাকে ভালোবাসি বলেই খেলি। যারা শুধু গোল বা অ্যাসিস্ট নিয়ে মত্ত থাকে, তারা ফুটবল উপভোগ করতে পারে না। যখন আমি বল পাই আর গ্যালারির দর্শকেরা রোমাঞ্চ নিয়ে দাঁড়িয়ে যান, তখন নিজেকে সুপারম্যান বা স্পাইডারম্যানের মতো শক্তিশালী মনে হয়। এই আনন্দটা পেতেই আমি মাঠে নামি।
আধুনিক ফুটবলে অতিমাত্রায় কৌশল ও বিশ্লেষণের প্রভাব নিয়ে ইয়ামাল বলেন, ফুটবল এখন বেশ যান্ত্রিক হয়ে উঠেছে। আমাকে থামানোর জন্য প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডাররা রোবটের মতো তৈরি হয়ে মাঠে আসে। রোবট হয়তো প্রায় নিখুঁত হতে পারে, কিন্তু একজন মানুষের মধ্যে এমন কিছু থাকে যা রোবটের থাকে না। ফুটবল যতই যান্ত্রিক হোক, আমার বা পেদ্রির মতো খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই আলাদা জাদুকরি ছোঁয়াটা আছে।
ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জয়ের শক্ত দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে ইয়ামালকে। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ইয়ামাল বলেন, সত্যি বলতে, শুধু এই বছরই নয়, বেশ কিছুদিন ধরেই আমি ব্যালন ডি’অর পাওয়ার মতো স্তরে খেলছি। সবাই জানে আমি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারি। আমাকে কেবল জিতে যেতে হবে, একসময় সব বিতর্কের অবসান ঘটবে।
কম বয়সে বিপুল অর্থ, খ্যাতি ও চাপের মুখে পড়ার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে রোকাফোন্দার কঠিন শৈশবের স্মৃতি স্মরণ করেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড, ফুটবলে হারানোর কিছু নেই। আমি আমার মাকে কষ্ট করতে দেখেছি যাতে আমি ফুটবল খেলতে পারি। আমার বাবাকে রাস্তায় স্ক্র্যাপ কুড়াতে দেখেছি যাতে আমি খেতে পারি- আসল ভয় তো ওটা। এখন আমার পরিবারকে সাহায্য করার সামর্থ্য আছে, তাই ফুটবলে কোনো ভয় পাই না।
মাঠের পারফরম্যান্সে দর্শকদের আনন্দ দেওয়াকেই নিজের মূল চালিকাশক্তি মনে করেন ইয়ামাল, আমি টাকার জন্য খেলি না, খেলাটাকে ভালোবাসি বলেই খেলি। যারা শুধু গোল বা অ্যাসিস্ট নিয়ে মত্ত থাকে, তারা ফুটবল উপভোগ করতে পারে না। যখন আমি বল পাই আর গ্যালারির দর্শকেরা রোমাঞ্চ নিয়ে দাঁড়িয়ে যান, তখন নিজেকে সুপারম্যান বা স্পাইডারম্যানের মতো শক্তিশালী মনে হয়। এই আনন্দটা পেতেই আমি মাঠে নামি।