মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার অতিরিক্ত সেনা এবং নতুন একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। এরই মধ্যে ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই মোতায়েনের নেতৃত্বে থাকবে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ও এর স্ট্রাইক গ্রুপ। অক্টোবরের শেষ থেকে নভেম্বরের মধ্যে এগুলো মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে- ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন। নতুন বহর যুক্ত হলে সেখানে মার্কিন নৌবাহিনী ও মেরিন সদস্যের সংখ্যা ২০ হাজারের কাছাকাছি বা তারও বেশি হতে পারে।
এমন সময়েই তেহরানের সাথে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সময় কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবটিতে যুদ্ধ থামানো, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া এবং পারমাণবিক আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয় ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন ওই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি।
এর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে ইসরাইলগামী একটি ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটের ঘটনা। ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইটটিতে কো-পাইলটের বিরুদ্ধে ক্যাপ্টেনকে হামলা এবং বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। পরে বিমানটি সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে। ঘটনাটি নিয়ে একাধিক দেশের তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় ইরানের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইরানের সাথে কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে বলে তিনি মনে করছেন। তবে এখন পর্যন্ত ইরানের সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত নয়।
ফলে একদিকে কাতারের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক তৎপরতা, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত- দুই দিক থেকেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের সম্পর্ক আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে। এর মধ্যেই নভেম্বরের নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। ফলে সামনে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই মোতায়েনের নেতৃত্বে থাকবে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ও এর স্ট্রাইক গ্রুপ। অক্টোবরের শেষ থেকে নভেম্বরের মধ্যে এগুলো মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে- ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন। নতুন বহর যুক্ত হলে সেখানে মার্কিন নৌবাহিনী ও মেরিন সদস্যের সংখ্যা ২০ হাজারের কাছাকাছি বা তারও বেশি হতে পারে।
এমন সময়েই তেহরানের সাথে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সময় কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবটিতে যুদ্ধ থামানো, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া এবং পারমাণবিক আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয় ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন ওই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি।
এর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে ইসরাইলগামী একটি ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটের ঘটনা। ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইটটিতে কো-পাইলটের বিরুদ্ধে ক্যাপ্টেনকে হামলা এবং বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। পরে বিমানটি সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে। ঘটনাটি নিয়ে একাধিক দেশের তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় ইরানের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইরানের সাথে কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে বলে তিনি মনে করছেন। তবে এখন পর্যন্ত ইরানের সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত নয়।
ফলে একদিকে কাতারের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক তৎপরতা, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত- দুই দিক থেকেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের সম্পর্ক আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে। এর মধ্যেই নভেম্বরের নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। ফলে সামনে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।