বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে সাড়ে ১২ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (৪ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘুমধুম তুমব্রু সীমান্তবর্তী নয়াপাড়া এলাকায় এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানিয়েছে, মিয়ানমার থেকে একটি বড় ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হবে এই তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয় বিজিবি। ভোর দিকে ইয়াবা চোরাকারবারিদের বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া দিলে মালামাল ফেলে রেখে রাত গভীরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে লুঙ্গি মোড়ানো অবস্থায় তিনটি ব্যাগে সাড়ে চার লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যা বাজারমূল্য ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তুমব্রু সীমান্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ইয়াবার চালান ফেলে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। তাদের শনাক্ত ও আটকের জন্য গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে ৩৪ বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত দিয়ে মাদকের প্রবেশ ঠেকাতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘুমধুম তুমব্রু সীমান্তবর্তী নয়াপাড়া এলাকায় এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানিয়েছে, মিয়ানমার থেকে একটি বড় ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হবে এই তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয় বিজিবি। ভোর দিকে ইয়াবা চোরাকারবারিদের বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া দিলে মালামাল ফেলে রেখে রাত গভীরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে লুঙ্গি মোড়ানো অবস্থায় তিনটি ব্যাগে সাড়ে চার লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যা বাজারমূল্য ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তুমব্রু সীমান্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ইয়াবার চালান ফেলে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। তাদের শনাক্ত ও আটকের জন্য গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে ৩৪ বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত দিয়ে মাদকের প্রবেশ ঠেকাতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।