শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে দোকানপাট খোলা রাখার সময় বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। মালিক সমিতি সোমবার (০৫ অক্টোবর) থেকে চলতি মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত দেশের সব দোকান, বিপণিবিতান ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখতে চায়।
সংগঠনটির দাবি- ঈদ ও পূজায় পণ্য কেনাবেচার পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই দোকান খোলা রাখার সময়সীমা রাত ৮টার পরিবর্তে ১০টা পর্যন্ত করা হোক।
রবিবার (০৪ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই দোকানসমূহে বেচাকেনা নেই বললেই চলে।
সংগত কারণে ব্যবসায়ীদের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।
আরও বলা হয়, ঈদ ও পূজায় বেচাকেনা একটু ভালো হয়। তাই দোকানপাট খোলা রাখার সময় বৃদ্ধি করা হলে ব্যবসায়ীরা অনেক উপকৃত হবেন। ইতিমধ্যেই জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
এ অবস্থায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামীকাল সোমবার থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানসমূহ খোলা রাখার আহ্বান জানানো হয় স্মারকলিপিতে।
সংগঠনটির দাবি- ঈদ ও পূজায় পণ্য কেনাবেচার পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই দোকান খোলা রাখার সময়সীমা রাত ৮টার পরিবর্তে ১০টা পর্যন্ত করা হোক।
রবিবার (০৪ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই দোকানসমূহে বেচাকেনা নেই বললেই চলে।
সংগত কারণে ব্যবসায়ীদের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।
আরও বলা হয়, ঈদ ও পূজায় বেচাকেনা একটু ভালো হয়। তাই দোকানপাট খোলা রাখার সময় বৃদ্ধি করা হলে ব্যবসায়ীরা অনেক উপকৃত হবেন। ইতিমধ্যেই জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
এ অবস্থায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামীকাল সোমবার থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানসমূহ খোলা রাখার আহ্বান জানানো হয় স্মারকলিপিতে।