আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে টানা ২২ দিন ইলিশ মাছ ধরা, বিক্রি, পরিবহন, বিপণন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
সোমবার (৫ অক্টোবর) মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সভাকক্ষে জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম বক্তব্য দেন। এ সময় সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তর, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ, মেট্রোপলিটন পুলিশ, মৎস্য আড়তদার, মৎস্য সমিতি ও বরফকল মালিক সমিতির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিটি মা ইলিশ প্রায় ৩ লাখ থেকে ১৫ লাখ পর্যন্ত ডিম দেয়। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ নিধন করা হলে ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকার ২২ দিন ইলিশ আহরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে।
সভায় আরও জানানো হয়, ২২ দিন ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকার সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকার জেলেদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সভাকক্ষে জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম বক্তব্য দেন। এ সময় সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তর, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ, মেট্রোপলিটন পুলিশ, মৎস্য আড়তদার, মৎস্য সমিতি ও বরফকল মালিক সমিতির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিটি মা ইলিশ প্রায় ৩ লাখ থেকে ১৫ লাখ পর্যন্ত ডিম দেয়। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ নিধন করা হলে ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকার ২২ দিন ইলিশ আহরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে।
সভায় আরও জানানো হয়, ২২ দিন ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকার সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকার জেলেদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।