মানুষের জীবন কখনো উদ্বেগ ও মানসিক চাপ ছাড়া কাটে না। সংসারের টানাপোড়েন, রিজিকের চিন্তা, শারীরিক অসুস্থতা কিংবা ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা প্রতিদিন কত ধরনের পেরেশানি যে আমাদের অন্তরকে ভারাক্রান্ত করে তোলে!
কিন্তু একজন মুমিন যখন জানে যে গোটা মহাবিশ্বের সমস্ত সমস্যার সমাধান ও দুশ্চিন্তা নিরসনের চাবিকাঠি তার রবের হাতে, তখন তার অন্তরে আর কোনো ভয় বা হাহাকার স্থায়ী হতে পারে না। রাসুলুল্লাহ ﷺ উম্মতকে এমন একটি দোয়ার পথ বাতলে দিয়েছেন, যা পাঠ করলে বান্দার দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত চিন্তার ভার আল্লাহ তাআলা নিজ দায়িত্বে তুলে নেন।
হাদিসে মহা সুসংবাদের ঘোষণা
হযরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেন:
যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় সাতবার এই দোয়াটি পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তার দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় চিন্তা ও পেরেশানির জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবেন।
(সুনানে আবু দাউদ: ৫০৮১)
হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, একজন মানুষের যত বড় দুশ্চিন্তাই আসুক না কেন তা দুনিয়ার কোনো বিপদ-আপদ হোক কিংবা আখিরাতের জবাবদিহির সংকট রব তার পাশে ছায়া হয়ে দাঁড়াবেন।
দোয়াটি হলো:
حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়া 'আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুওয়া রাব্বুল 'আরশিল 'আজিম।
অর্থ: “আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া ইবাদতের উপযুক্ত আর কোনো মাবুদ নেই।
আমি তাঁর ওপরই ভরসা করি, আর তিনি মহান আরশের অধিপতি।”
যার আরশ গোটা আসমান ও জমিনের চেয়েও সুমহান ও সুবিশাল, সেই রাজাধিরাজের কাছে মানুষের জাগতিক কোনো সমস্যা বা বিপদই খুব একটা বড় কিংবা তা নিরসন তাঁর পক্ষে অসম্ভব কিছু নয়।
সকাল ও সন্ধ্যায় ফজর এবং মাগরিবের পর মাত্র এক-দুই মিনিট সময় বের করে নিলেই দোয়াটি সাতবার পড়ে নেওয়া সম্ভব। তবে এটি স্রেফ মুখস্থ আউড়ানো কোনো শব্দ নয়, বরং অন্তরের গভীর থেকে অনুধাবন করার বিষয়। তাই মর্মে মর্মে এর ভাবার্থ অনুধাবন করার চেষ্টা থাকতে হবে আমাদের। কিছু দিন চেষ্টা করে দেখুন না, দেখবেন আপনি যখন দিনে দু'বার করে রবের কাছে নিজের সমস্ত দুশ্চিন্তা সঁপে দেবেন, আপনার বুক থেকে অবর্ণনীয় এক মানসিক চাপ নেমে গিয়ে সেখানে জায়গা করে নেবে আসমানি প্রশান্তি। দুনিয়াবি কোনো সমস্যা আর অপ্রাপ্তই আপনাকে আর পেরেশানিতে ফেলতে পারবে না। ইন শা আল্লাহ।
কিন্তু একজন মুমিন যখন জানে যে গোটা মহাবিশ্বের সমস্ত সমস্যার সমাধান ও দুশ্চিন্তা নিরসনের চাবিকাঠি তার রবের হাতে, তখন তার অন্তরে আর কোনো ভয় বা হাহাকার স্থায়ী হতে পারে না। রাসুলুল্লাহ ﷺ উম্মতকে এমন একটি দোয়ার পথ বাতলে দিয়েছেন, যা পাঠ করলে বান্দার দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত চিন্তার ভার আল্লাহ তাআলা নিজ দায়িত্বে তুলে নেন।
হাদিসে মহা সুসংবাদের ঘোষণা
হযরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেন:
যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় সাতবার এই দোয়াটি পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তার দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় চিন্তা ও পেরেশানির জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবেন।
(সুনানে আবু দাউদ: ৫০৮১)
হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, একজন মানুষের যত বড় দুশ্চিন্তাই আসুক না কেন তা দুনিয়ার কোনো বিপদ-আপদ হোক কিংবা আখিরাতের জবাবদিহির সংকট রব তার পাশে ছায়া হয়ে দাঁড়াবেন।
দোয়াটি হলো:
حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়া 'আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুওয়া রাব্বুল 'আরশিল 'আজিম।
অর্থ: “আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া ইবাদতের উপযুক্ত আর কোনো মাবুদ নেই।
আমি তাঁর ওপরই ভরসা করি, আর তিনি মহান আরশের অধিপতি।”
যার আরশ গোটা আসমান ও জমিনের চেয়েও সুমহান ও সুবিশাল, সেই রাজাধিরাজের কাছে মানুষের জাগতিক কোনো সমস্যা বা বিপদই খুব একটা বড় কিংবা তা নিরসন তাঁর পক্ষে অসম্ভব কিছু নয়।
সকাল ও সন্ধ্যায় ফজর এবং মাগরিবের পর মাত্র এক-দুই মিনিট সময় বের করে নিলেই দোয়াটি সাতবার পড়ে নেওয়া সম্ভব। তবে এটি স্রেফ মুখস্থ আউড়ানো কোনো শব্দ নয়, বরং অন্তরের গভীর থেকে অনুধাবন করার বিষয়। তাই মর্মে মর্মে এর ভাবার্থ অনুধাবন করার চেষ্টা থাকতে হবে আমাদের। কিছু দিন চেষ্টা করে দেখুন না, দেখবেন আপনি যখন দিনে দু'বার করে রবের কাছে নিজের সমস্ত দুশ্চিন্তা সঁপে দেবেন, আপনার বুক থেকে অবর্ণনীয় এক মানসিক চাপ নেমে গিয়ে সেখানে জায়গা করে নেবে আসমানি প্রশান্তি। দুনিয়াবি কোনো সমস্যা আর অপ্রাপ্তই আপনাকে আর পেরেশানিতে ফেলতে পারবে না। ইন শা আল্লাহ।