দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছুঁইছুঁই। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯৯ জনে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১ হাজার ৬৩১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গুবিষয়ক ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মারা যাওয়া ২৯৯ জনের মধ্যে নারীর সংখ্যা ৫১ দশমিক ৯ শতাংশ এবং পুরুষের সংখ্যা ৪৮ দশমিক ১ শতাংশ।
এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯৯ জনে। আর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৯৭ হাজার ছাড়িয়েছে।
মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ডেঙ্গুতে দুজন করে মারা যান। মার্চ ও এপ্রিলে কোনো মৃত্যু হয়নি। মে মাসে একজন এবং জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়।
এরপর পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। জুলাইয়ে ৩৬ জন এবং আগস্টে ৪৩ জনের প্রাণহানি হয়। সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে মারা যান ১৪৮ জন, যা চলতি বছরের কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু। আর অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৪ জন। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু হয় গত ৬ অক্টোবর।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ৮০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় মারা গেছেন ১৭ জন।
এছাড়া খুলনা বিভাগে ৬১ জন, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ২৬ জন করে, ময়মনসিংহে ২৩ জন, রাজশাহীতে ২১ জন, রংপুরে ছয়জন এবং সিলেট বিভাগে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
চলতি বছরের অক্টোবরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৪৬২ জন। এর আগে সেপ্টেম্বরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন।
মাসভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ১ হাজার ৮১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪, জুনে ২ হাজার ৯০৭, জুলাইয়ে ৯ হাজার ২০৬ এবং আগস্টে ২০ হাজার ৫৩৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
সব মিলিয়ে চলতি বছরের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩৮০ জন।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গুবিষয়ক ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মারা যাওয়া ২৯৯ জনের মধ্যে নারীর সংখ্যা ৫১ দশমিক ৯ শতাংশ এবং পুরুষের সংখ্যা ৪৮ দশমিক ১ শতাংশ।
এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯৯ জনে। আর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৯৭ হাজার ছাড়িয়েছে।
মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ডেঙ্গুতে দুজন করে মারা যান। মার্চ ও এপ্রিলে কোনো মৃত্যু হয়নি। মে মাসে একজন এবং জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়।
এরপর পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। জুলাইয়ে ৩৬ জন এবং আগস্টে ৪৩ জনের প্রাণহানি হয়। সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে মারা যান ১৪৮ জন, যা চলতি বছরের কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু। আর অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৪ জন। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু হয় গত ৬ অক্টোবর।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ৮০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় মারা গেছেন ১৭ জন।
এছাড়া খুলনা বিভাগে ৬১ জন, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ২৬ জন করে, ময়মনসিংহে ২৩ জন, রাজশাহীতে ২১ জন, রংপুরে ছয়জন এবং সিলেট বিভাগে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
চলতি বছরের অক্টোবরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৪৬২ জন। এর আগে সেপ্টেম্বরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন।
মাসভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ১ হাজার ৮১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪, জুনে ২ হাজার ৯০৭, জুলাইয়ে ৯ হাজার ২০৬ এবং আগস্টে ২০ হাজার ৫৩৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
সব মিলিয়ে চলতি বছরের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩৮০ জন।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।