আক্ষেপটা সেই লিটন দাসই ঘোচালেন। আবুধাবি টেস্টে বাংলাদেশকে সেঞ্চুরির আশা দেখিয়েছেন অন্তত ৪ জন। কিন্তু সে আশা পূরণ করতে পারেননি কেউই। পারলেন লিটন দাস। অনেকটা ওয়ানডে মেজাজে করলেন সেঞ্চুরি। আর তাতেই রেকর্ডের পাতায় মোহাম্মদ আশরাফুলকে পেছনে ফেললেন তিনি।
তৃতীয় দিন বিকালে মুশফিকের বিদায়ের পর উইকেটে এসেছিলেন তিনি। এসেই নাজমুল হোসেন শান্ত আর হাসান মাহমুদকে বিদায় নিতে দেখেন। ১১ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশও খানিকটা বিপাকে পড়ে গিয়েছিল।
সেখান থেকে তিনি দলের ইনিংস টেনেছেন মেহেদী হাসান মিরাজকে সাথে নিয়ে। শুরুতে খানিকটা ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছেন বৈকি। কায়েস আহমেদের বলে দুবার ক্যাচ তুলে দিয়েও রক্ষা পেয়েছেন। দুটি ‘জীবন’ পাওয়ার ফায়দাটা ভালোভাবেই তুলেছেন তিনি। ওয়ানডে মেজাজে খেলতে থাকেন প্রথম সেশন থেকেই।
প্রথম সেশনে ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেছিলেন। তার আগে পঞ্চম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে ছুঁয়েছেন ৯০০০ রানের মাইলফলকও। সেশন যখন শেষ করলেন, তখন সেঞ্চুরির জন্য তার প্রয়োজন ছিল ১৯ রান। সে রানটা তুলতে দ্বিতীয় সেশনে তিনি বল খেললেন মোটে ১৯টি। তাতেই তিনি পৌঁছে যান ৩ অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন ১১৫ বলে।
চলতি বছর প্রথম ব্যাটার হিসেবে দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তিনি। এর আগে মে মাসে তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিলেন দারুণ এক সেঞ্চুরি। এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন।
তাতে একটা রেকর্ডের পাতায় মোহাম্মদ আশরাফুলকেও পেছনে ফেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির তালিকায় ৬ সেঞ্চুরি নিয়ে তিনি আশরাফুলের সাথে মিলে যৌথভাবে ছিলেন ৫ নম্বরে। আজকের এই সেঞ্চুরিতে এককভাবে পাঁচে উঠে এলেন লিটন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙতে অবশ্য আরও কিছু দূর এগোতে হবে তাকে। মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি ১৪টি, দুইয়ে থাকা মমিনুল হকের সেঞ্চুরি ১৩টি। তিনে আছেন তামিম ইকবাল, তার সেঞ্চুরি ১০টি; ৯টি সেঞ্চুরি নিয়ে চারে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৭ সেঞ্চুরি নিয়ে এরপরই এখন অবস্থান লিটনের।
তৃতীয় দিন বিকালে মুশফিকের বিদায়ের পর উইকেটে এসেছিলেন তিনি। এসেই নাজমুল হোসেন শান্ত আর হাসান মাহমুদকে বিদায় নিতে দেখেন। ১১ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশও খানিকটা বিপাকে পড়ে গিয়েছিল।
সেখান থেকে তিনি দলের ইনিংস টেনেছেন মেহেদী হাসান মিরাজকে সাথে নিয়ে। শুরুতে খানিকটা ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছেন বৈকি। কায়েস আহমেদের বলে দুবার ক্যাচ তুলে দিয়েও রক্ষা পেয়েছেন। দুটি ‘জীবন’ পাওয়ার ফায়দাটা ভালোভাবেই তুলেছেন তিনি। ওয়ানডে মেজাজে খেলতে থাকেন প্রথম সেশন থেকেই।
প্রথম সেশনে ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেছিলেন। তার আগে পঞ্চম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে ছুঁয়েছেন ৯০০০ রানের মাইলফলকও। সেশন যখন শেষ করলেন, তখন সেঞ্চুরির জন্য তার প্রয়োজন ছিল ১৯ রান। সে রানটা তুলতে দ্বিতীয় সেশনে তিনি বল খেললেন মোটে ১৯টি। তাতেই তিনি পৌঁছে যান ৩ অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন ১১৫ বলে।
চলতি বছর প্রথম ব্যাটার হিসেবে দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তিনি। এর আগে মে মাসে তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিলেন দারুণ এক সেঞ্চুরি। এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন।
তাতে একটা রেকর্ডের পাতায় মোহাম্মদ আশরাফুলকেও পেছনে ফেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির তালিকায় ৬ সেঞ্চুরি নিয়ে তিনি আশরাফুলের সাথে মিলে যৌথভাবে ছিলেন ৫ নম্বরে। আজকের এই সেঞ্চুরিতে এককভাবে পাঁচে উঠে এলেন লিটন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙতে অবশ্য আরও কিছু দূর এগোতে হবে তাকে। মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি ১৪টি, দুইয়ে থাকা মমিনুল হকের সেঞ্চুরি ১৩টি। তিনে আছেন তামিম ইকবাল, তার সেঞ্চুরি ১০টি; ৯টি সেঞ্চুরি নিয়ে চারে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৭ সেঞ্চুরি নিয়ে এরপরই এখন অবস্থান লিটনের।