পাকিস্তানের করাচিতে একটি তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিন কাসিম টাউনের গুলশান-ই-ফালাকনাজ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক দম্পতি, ওই ব্যক্তির বোন এবং তাদের দুই শিশুকন্যা।
পুলিশ জানায়, নিহতরা হলেন শাহজাইব, তার স্ত্রী সাবা, বোন সুমাইলা এবং তাদের দুই শিশুকন্যা। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাহজাইব কিছুদিন আগে গুলশান-এ-হাদীদ এলাকায় নিজের বাড়ি বিক্রি করে একটি বেসরকারি আবাসন এলাকার ভাড়া বাসায় থাকতে শুরু করেন।
গত মাসেও করাচির আহসানাবাদ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে এক চিকিৎসক, তার স্ত্রী ও তাদের তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়।
ওই ঘটনার তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছিলেন আইজিপি।
পাঁচ সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পরিবারের কর্তা শাহজাইব আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হয়নি।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়ির দরজা ভেতর থেকে তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশকে সেগুলো খুলে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়। শাহজাইব ও তার স্ত্রী সাবার লাশ একটি সোফা থেকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মাথায় গুলির চিহ্ন ছিল। সাবার কাছ থেকে একটি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে শাহজাইবের বোন সুমাইলা ও তার দুই শিশুকন্যার লাশ একটি বিছানা থেকে উদ্ধার করা হয়। শিশুদের বিষপ্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার আগে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হয়েছে।
সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লানজার ও প্রাদেশিক পুলিশপ্রধানকে ঘটনাটি সব দিক থেকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে, এধি রেসকিউ সার্ভিস জানিয়েছে, লাশগুলো জিন্নাহ পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে
পাকিস্তানের করাচিতে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লানজার ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাভেদ আলম ওধো। ঘটনার পেছনের কারণ ও উদ্দেশ্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক দম্পতি, ওই ব্যক্তির বোন এবং তাদের দুই শিশুকন্যা।
পুলিশ জানায়, নিহতরা হলেন শাহজাইব, তার স্ত্রী সাবা, বোন সুমাইলা এবং তাদের দুই শিশুকন্যা। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাহজাইব কিছুদিন আগে গুলশান-এ-হাদীদ এলাকায় নিজের বাড়ি বিক্রি করে একটি বেসরকারি আবাসন এলাকার ভাড়া বাসায় থাকতে শুরু করেন।
গত মাসেও করাচির আহসানাবাদ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে এক চিকিৎসক, তার স্ত্রী ও তাদের তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়।
ওই ঘটনার তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছিলেন আইজিপি।
পাঁচ সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পরিবারের কর্তা শাহজাইব আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হয়নি।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়ির দরজা ভেতর থেকে তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশকে সেগুলো খুলে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়। শাহজাইব ও তার স্ত্রী সাবার লাশ একটি সোফা থেকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মাথায় গুলির চিহ্ন ছিল। সাবার কাছ থেকে একটি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে শাহজাইবের বোন সুমাইলা ও তার দুই শিশুকন্যার লাশ একটি বিছানা থেকে উদ্ধার করা হয়। শিশুদের বিষপ্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার আগে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হয়েছে।
সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লানজার ও প্রাদেশিক পুলিশপ্রধানকে ঘটনাটি সব দিক থেকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে, এধি রেসকিউ সার্ভিস জানিয়েছে, লাশগুলো জিন্নাহ পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়েছে
পাকিস্তানের করাচিতে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লানজার ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাভেদ আলম ওধো। ঘটনার পেছনের কারণ ও উদ্দেশ্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।