বিয়ে করেছেন? এই একটা প্রশ্ন শুনলেই কি আপনার ঠোঁটের কোণে হঠাৎ এক চিলতে মিষ্টি হাসি ফুটে ওঠে? কিংবা ভেতরে ভেতরে হঠাৎ একটা ‘অন্যরকম ফিলিংস’মোচড় দিয়ে ওঠে?
চিন্তা করবেন না, আপনি একা নন!পৃথিবীর সব অবিবাহিত তরুণের ক্ষেত্রেই এটি এক চিরন্তন ও মধুর সত্য। কিন্ত কখনো কি ভেবে দেখেছেন, শুধু ‘বিয়ে’ শব্দটি শুনলেই কেন মনে হঠাৎ রোমান্টিকতার হাওয়া বইতে শুরু করে? এর পেছনে কিন্তু কেবল আবেগ নয়, রয়েছে বিজ্ঞান, মনস্তত্ত্ব আর সমাজও!
বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা
বিজ্ঞান বলছে, এটি স্রেফ কোনো লাজুকতা নয়, বরং মস্তিষ্কের এক দারুণ রসায়ন!"বিয়ে" শব্দটি শুনলেই আমাদের মস্তিষ্কের ডোপামিন (Dopamine) নামক ‘হ্যাপি হরমোন’ বা সুখের রসায়ন নিঃসরণ শুরু হয়।
মানব মস্তিষ্ক জন্মগতভাবেই একজন সঙ্গী বা সঙ্গিনী খোঁজার জন্য প্রোগ্রাম করা। বিয়ে মানেই ভালোবাসা, নতুন জীবন আর এক অমলিন সামাজিক ও শারীরিক নির্ভরতা।মস্তিষ্ক যখন ভবিষ্যতে এমন শুভ কিছুর ইঙ্গিত পায়, তখন ডোপামিন আর অক্সিটোসিন (Oxytocin) নিঃসরণ করে মনকে এক অদ্ভুত পুলকে ভাসিয়ে দেয়!
অবচেতন মনের রঙিন স্বপ্ন
মনস্তাত্ত্বিকদের মতে, ছোটবেলা থেকেই আমরা রূপকথা, সিনেমা আর চারপাশের বিয়ের চমৎকার পরিবেশ দেখে অভ্যস্ত।বিয়ে মানেই নতুন জামাকাপড়, আলোর রোশনাই, সুস্বাদু খাবার আর সবচেয়ে বড় কথা-জীবনের গল্পে একজন প্রিয় মানুষের রাজকীয় আগমন। মস্তিষ্ক অবচেতনভাবেই বিয়েকে ‘সামাজিক পুরস্কার’ এবং ‘সুখের চাবিকাঠি’ হিসেবে ধরে নেয়। তাই প্রশ্নটি শোনামাত্র অবচেতন মন একঝলক কল্পনা বা দিবাস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে, আর সেটাই মুখে ফুটে ওঠে মুচকি হাসি হয়ে!
সমাজ, ধর্ম ও প্রশান্তির নীড়
সামাজিকভাবে বিয়ে কেবল দুটি মানুষের মিলন নয়, এটি জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের স্বীকৃতি। আর আমাদের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ তাআলা মানুষের মধ্য থেকেই তার জন্য জোড় সৃষ্টি করেছেন, যাতে তারা একে অপরের কাছে গিয়ে‘প্রশান্তি’ লাভ করতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-ও বিয়েকে মনের সংযম ও চোখের পবিত্রতার মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং তরুণের সক্ষমতা থাকলে দ্রুত বিয়ের উৎসাহিত করেছেন।অর্থাৎ, এই যে অনুভূতি আর প্রশান্তির টান-তা মানব সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই খোদাতাত্ত্বিক ও মানবিক সহজাত এক চাওয়া।
চিন্তা করবেন না, আপনি একা নন!পৃথিবীর সব অবিবাহিত তরুণের ক্ষেত্রেই এটি এক চিরন্তন ও মধুর সত্য। কিন্ত কখনো কি ভেবে দেখেছেন, শুধু ‘বিয়ে’ শব্দটি শুনলেই কেন মনে হঠাৎ রোমান্টিকতার হাওয়া বইতে শুরু করে? এর পেছনে কিন্তু কেবল আবেগ নয়, রয়েছে বিজ্ঞান, মনস্তত্ত্ব আর সমাজও!
বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা
বিজ্ঞান বলছে, এটি স্রেফ কোনো লাজুকতা নয়, বরং মস্তিষ্কের এক দারুণ রসায়ন!"বিয়ে" শব্দটি শুনলেই আমাদের মস্তিষ্কের ডোপামিন (Dopamine) নামক ‘হ্যাপি হরমোন’ বা সুখের রসায়ন নিঃসরণ শুরু হয়।
মানব মস্তিষ্ক জন্মগতভাবেই একজন সঙ্গী বা সঙ্গিনী খোঁজার জন্য প্রোগ্রাম করা। বিয়ে মানেই ভালোবাসা, নতুন জীবন আর এক অমলিন সামাজিক ও শারীরিক নির্ভরতা।মস্তিষ্ক যখন ভবিষ্যতে এমন শুভ কিছুর ইঙ্গিত পায়, তখন ডোপামিন আর অক্সিটোসিন (Oxytocin) নিঃসরণ করে মনকে এক অদ্ভুত পুলকে ভাসিয়ে দেয়!
অবচেতন মনের রঙিন স্বপ্ন
মনস্তাত্ত্বিকদের মতে, ছোটবেলা থেকেই আমরা রূপকথা, সিনেমা আর চারপাশের বিয়ের চমৎকার পরিবেশ দেখে অভ্যস্ত।বিয়ে মানেই নতুন জামাকাপড়, আলোর রোশনাই, সুস্বাদু খাবার আর সবচেয়ে বড় কথা-জীবনের গল্পে একজন প্রিয় মানুষের রাজকীয় আগমন। মস্তিষ্ক অবচেতনভাবেই বিয়েকে ‘সামাজিক পুরস্কার’ এবং ‘সুখের চাবিকাঠি’ হিসেবে ধরে নেয়। তাই প্রশ্নটি শোনামাত্র অবচেতন মন একঝলক কল্পনা বা দিবাস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে, আর সেটাই মুখে ফুটে ওঠে মুচকি হাসি হয়ে!
সমাজ, ধর্ম ও প্রশান্তির নীড়
সামাজিকভাবে বিয়ে কেবল দুটি মানুষের মিলন নয়, এটি জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের স্বীকৃতি। আর আমাদের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ তাআলা মানুষের মধ্য থেকেই তার জন্য জোড় সৃষ্টি করেছেন, যাতে তারা একে অপরের কাছে গিয়ে‘প্রশান্তি’ লাভ করতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-ও বিয়েকে মনের সংযম ও চোখের পবিত্রতার মাধ্যম হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং তরুণের সক্ষমতা থাকলে দ্রুত বিয়ের উৎসাহিত করেছেন।অর্থাৎ, এই যে অনুভূতি আর প্রশান্তির টান-তা মানব সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই খোদাতাত্ত্বিক ও মানবিক সহজাত এক চাওয়া।