মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজে আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও এ তথ্য জানিয়েছে। তবে আগুন লাগার কারণ কিংবা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইউকেএমটিও জানায়, অন্য একটি জাহাজের ক্যাপ্টেনের কাছ থেকে তারা আগুন লাগার খবর পেয়েছে। ওমানের খাসাব উপকূল থেকে প্রায় ৯ নটিক্যাল মাইল বা ১৭ কিলোমিটার উত্তরে জাহাজটিকে দেখা গেছে। খাসাব হরমুজ প্রণালির কাছেই অবস্থিত।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ করা হয়। ফলে এ অঞ্চলে কোনো জাহাজে হামলা বা দুর্ঘটনা ঘটলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তার প্রভাব পড়তে পারে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে ইরান। অনুমতি ছাড়া এ নৌপথ দিয়ে চলাচলের অভিযোগে দেশটি বেশ কয়েকটি জাহাজে হামলাও চালিয়েছে।
এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে পালটা অবরোধ আরোপ করেছে।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে আগুন লাগার সর্বশেষ ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। তবে জাহাজটির পরিচয়, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সাথে চলমান সংঘাতের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ইউকেএমটিও জানায়, অন্য একটি জাহাজের ক্যাপ্টেনের কাছ থেকে তারা আগুন লাগার খবর পেয়েছে। ওমানের খাসাব উপকূল থেকে প্রায় ৯ নটিক্যাল মাইল বা ১৭ কিলোমিটার উত্তরে জাহাজটিকে দেখা গেছে। খাসাব হরমুজ প্রণালির কাছেই অবস্থিত।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ করা হয়। ফলে এ অঞ্চলে কোনো জাহাজে হামলা বা দুর্ঘটনা ঘটলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তার প্রভাব পড়তে পারে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে ইরান। অনুমতি ছাড়া এ নৌপথ দিয়ে চলাচলের অভিযোগে দেশটি বেশ কয়েকটি জাহাজে হামলাও চালিয়েছে।
এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে পালটা অবরোধ আরোপ করেছে।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে আগুন লাগার সর্বশেষ ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। তবে জাহাজটির পরিচয়, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সাথে চলমান সংঘাতের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।