
মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের কাজাং এলাকায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ৯৬ জন অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে অভিযানটি চালানো হয়।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, অভিযানে ১৩৫ জন বিদেশির কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ২০ থেকে ৬৯ বছর বয়সী ৯৬ জন অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক রয়েছেন।
অভিযানের সময় অনেকে পালানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। বসতিগুলো মূলত ব্যক্তিগত জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ ও অগোছালো ভাড়া বাড়ি ছিল, যেখানে অভিবাসীরা পরিচয়পত্র ছাড়াই বসবাস করছিলেন।
দাতুক জাকারিয়া জানান, ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইন, ১৯৬৬ সালের পাসপোর্ট আইন ও ২০০৭ সালের মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান বিরোধী আইন অনুযায়ী অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
অভিযানের মূল কারণ:
গ্রেফতারকৃতদের কেএলআইএ ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ প্রমাণিত হবে, তাদের আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে তোলা হবে।
মহাপরিচালক আরও বলেন, “অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া বা নিয়োগ করা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।”
এ ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে আটক বাংলাদেশিদের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, অভিযানে ১৩৫ জন বিদেশির কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ২০ থেকে ৬৯ বছর বয়সী ৯৬ জন অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক রয়েছেন।
অভিযানের সময় অনেকে পালানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। বসতিগুলো মূলত ব্যক্তিগত জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ ও অগোছালো ভাড়া বাড়ি ছিল, যেখানে অভিবাসীরা পরিচয়পত্র ছাড়াই বসবাস করছিলেন।
দাতুক জাকারিয়া জানান, ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইন, ১৯৬৬ সালের পাসপোর্ট আইন ও ২০০৭ সালের মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান বিরোধী আইন অনুযায়ী অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
অভিযানের মূল কারণ:
- মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা
- পরিচয়পত্রহীন বসবাস
- জনসাধারণের অভিযোগ
গ্রেফতারকৃতদের কেএলআইএ ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ প্রমাণিত হবে, তাদের আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে তোলা হবে।
মহাপরিচালক আরও বলেন, “অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া বা নিয়োগ করা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।”
এ ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে আটক বাংলাদেশিদের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।