
জাপানে তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় দাবানলের মুখোমুখি হয়েছে দেশটি। দাবানলের কারণে একজন নিহত হয়েছেন এবং এক হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে সরিয়ে নিতে হয়েছে। শনিবার (১ মার্চ) এ খবর জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য জাপান টাইমস।
প্রতিবেদনটি অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আগুন লাগার পর থেকে জাপানের ইওয়াতে অঞ্চলের উত্তরাঞ্চলের ওফুনাতো বনে প্রায় এক হাজার ২শ’ হেক্টর জমি জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।
অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা এখনও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার আকার পরীক্ষা করছেন। তবে ১৯৯২ সালে হোক্কাইডোর কুশিরোতে বড় দাবানলের পর এটি সবচেয়ে বড় দাবানল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই দাবানলে ১ হাজার ৩০ হেক্টর জমি পুড়ে গিয়েছিল।
দেশজুড়ে প্রায় ১ হাজার ৭০০ অগ্নিনির্বাপক কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পাবলিক ব্রডকাস্টার এনএইচকে-এর আকাশ থেকে তোলা এক ফুটেজে সাদা ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে এবং পুরো পাহাড় ঢেকে গেছে।
স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) তারা একজনের পুড়ে যাওয়া লাশ উদ্ধার করেছে। ওফুনাতো পৌরসভার তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত ১ হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ৮০টিরও বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দাবানলের কারণ এখনও জানা যায়নি। এছাড়াও, শনিবার (১ মার্চ) আরো দুটি স্থানে আগুন জ্বলছিল, একটি ইয়ামানাশিতে এবং অন্যটি ইওয়াতেতে।
প্রতিবেদনটি অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আগুন লাগার পর থেকে জাপানের ইওয়াতে অঞ্চলের উত্তরাঞ্চলের ওফুনাতো বনে প্রায় এক হাজার ২শ’ হেক্টর জমি জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।
অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা এখনও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার আকার পরীক্ষা করছেন। তবে ১৯৯২ সালে হোক্কাইডোর কুশিরোতে বড় দাবানলের পর এটি সবচেয়ে বড় দাবানল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই দাবানলে ১ হাজার ৩০ হেক্টর জমি পুড়ে গিয়েছিল।
দেশজুড়ে প্রায় ১ হাজার ৭০০ অগ্নিনির্বাপক কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পাবলিক ব্রডকাস্টার এনএইচকে-এর আকাশ থেকে তোলা এক ফুটেজে সাদা ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে এবং পুরো পাহাড় ঢেকে গেছে।
স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) তারা একজনের পুড়ে যাওয়া লাশ উদ্ধার করেছে। ওফুনাতো পৌরসভার তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত ১ হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ৮০টিরও বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দাবানলের কারণ এখনও জানা যায়নি। এছাড়াও, শনিবার (১ মার্চ) আরো দুটি স্থানে আগুন জ্বলছিল, একটি ইয়ামানাশিতে এবং অন্যটি ইওয়াতেতে।