
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তপ্ত বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কঠোর সমালোচনা করেছে রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, বৈঠকে জেলেনস্কির ঔদ্ধত্য সত্ত্বেও ট্রাম্প যে সংযম দেখিয়েছেন, তা বিস্ময়কর।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া পোস্টে জাখারোভা বলেন, “যে হাত তাকে সাহায্য করে, সেই হাতেই কামড় দিতে উদ্যত হয়েছেন জেলেনস্কি। তার ঔদ্ধত্যের পরও ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যে ধৈর্য ধরেছেন, তা সত্যিই আশ্চর্যজনক।”
রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং রাশিয়ান সিকিউরিটি কাউন্সিলের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ আরও কঠোর মন্তব্য করে বলেন, “এই প্রথম ট্রাম্প ওই ‘কোকেন ক্লাউন’-এর (জেলেনস্কি) মুখের ওপর সত্য বললেন। কিয়েভ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে খেলছে, আর এই অকৃতজ্ঞ শূকরটি তার সাহায্যকারীদেরই থাপ্পড় দিচ্ছে। তবে এটুকুই যথেষ্ট নয়, এখনই এই ‘নাৎসি মেশিনে’ সহায়তা বন্ধ করা উচিত।”
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রধান ইয়েভগেনি প্রিমাকভ বলেন, “বৈঠকের সবকিছুই প্রকাশ্যে এসেছে। কিয়েভের আসল চরিত্র — উসকানি ও বিদ্বেষ — আরও স্পষ্ট হয়েছে।”
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের সংলাপ এবং ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভাগাভাগি নিয়ে চুক্তির উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটনে গিয়েছিলেন জেলেনস্কি। বৈঠকে ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতার আহ্বান জানালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, এবং শেষমেষ বৈঠক পণ্ড হয়ে যায়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই কূটনৈতিক উত্তেজনা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে, যেখানে ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ নীতিগত অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া পোস্টে জাখারোভা বলেন, “যে হাত তাকে সাহায্য করে, সেই হাতেই কামড় দিতে উদ্যত হয়েছেন জেলেনস্কি। তার ঔদ্ধত্যের পরও ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স যে ধৈর্য ধরেছেন, তা সত্যিই আশ্চর্যজনক।”
রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং রাশিয়ান সিকিউরিটি কাউন্সিলের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ আরও কঠোর মন্তব্য করে বলেন, “এই প্রথম ট্রাম্প ওই ‘কোকেন ক্লাউন’-এর (জেলেনস্কি) মুখের ওপর সত্য বললেন। কিয়েভ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে খেলছে, আর এই অকৃতজ্ঞ শূকরটি তার সাহায্যকারীদেরই থাপ্পড় দিচ্ছে। তবে এটুকুই যথেষ্ট নয়, এখনই এই ‘নাৎসি মেশিনে’ সহায়তা বন্ধ করা উচিত।”
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রধান ইয়েভগেনি প্রিমাকভ বলেন, “বৈঠকের সবকিছুই প্রকাশ্যে এসেছে। কিয়েভের আসল চরিত্র — উসকানি ও বিদ্বেষ — আরও স্পষ্ট হয়েছে।”
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের সংলাপ এবং ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভাগাভাগি নিয়ে চুক্তির উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটনে গিয়েছিলেন জেলেনস্কি। বৈঠকে ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতার আহ্বান জানালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, এবং শেষমেষ বৈঠক পণ্ড হয়ে যায়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই কূটনৈতিক উত্তেজনা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে, যেখানে ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ নীতিগত অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।