
দেশের অর্থনীতি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নিরলস কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সরকার, কিন্তু একটি পলাতক দল পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূস। সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “সরকার গঠনের সময় আমরা দেখেছি, দেশ যেন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছিল, দুর্নীতির শেকড় ছিল গভীর। আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের জীবন সহজ করা এবং অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফেরানো।”
দেশটাকে দুর্নীতি, মিসরুল থেকে কতটা টেনে বের করে আনতে পারলেন এমন প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংস্কারের বিষয়ে? সংস্কার তো এখনও শুরু করিনি...। বহু পরিবর্তন। এটা আমি বলবো, যে ধ্বংসাবশেষ থেকে এসেছিলাম, তার নতুন চেহারা আসছে।
তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদী শাসনের দীর্ঘ ছায়া কাটিয়ে উঠতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার জরুরি। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।”
ড. ইউনূস বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন আমাদের ওপর আস্থা রাখছে। তারা বলছে, অতীতের চেয়ে এখন আরও বেশি সহায়তা করতে প্রস্তুত। এটা প্রমাণ করে যে, আমরা সঠিক পথে আছি।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রথমদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে ভয় কাজ করছিল। দীর্ঘদিন দমন-পীড়নের পরিবেশে কাজ করায় তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সময় লেগেছে। তবে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”
প্রধান উপদেষ্টা জানান, “সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমরা বেশ কয়েকটি কমিশন গঠন করেছি। যদিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব রিপোর্ট আসেনি, তবু আমরা সময় দিচ্ছি — কারণ টেকসই পরিবর্তন একদিনে আসে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা স্বীকার করছি, ভুলত্রুটি হবে। কিন্তু জনগণের আস্থা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই আস্থা নিয়েই আমরা দেশকে নতুন করে গড়তে চাই।”
ড. ইউনূস বলেন, “দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, স্বস্তি চায়। আমরা সেই স্বস্তি ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে দেশকে সামনে এগিয়ে নেব — এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “সরকার গঠনের সময় আমরা দেখেছি, দেশ যেন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছিল, দুর্নীতির শেকড় ছিল গভীর। আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের জীবন সহজ করা এবং অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফেরানো।”
দেশটাকে দুর্নীতি, মিসরুল থেকে কতটা টেনে বের করে আনতে পারলেন এমন প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সংস্কারের বিষয়ে? সংস্কার তো এখনও শুরু করিনি...। বহু পরিবর্তন। এটা আমি বলবো, যে ধ্বংসাবশেষ থেকে এসেছিলাম, তার নতুন চেহারা আসছে।
তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদী শাসনের দীর্ঘ ছায়া কাটিয়ে উঠতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার জরুরি। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।”
ড. ইউনূস বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন আমাদের ওপর আস্থা রাখছে। তারা বলছে, অতীতের চেয়ে এখন আরও বেশি সহায়তা করতে প্রস্তুত। এটা প্রমাণ করে যে, আমরা সঠিক পথে আছি।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রথমদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে ভয় কাজ করছিল। দীর্ঘদিন দমন-পীড়নের পরিবেশে কাজ করায় তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সময় লেগেছে। তবে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”
প্রধান উপদেষ্টা জানান, “সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমরা বেশ কয়েকটি কমিশন গঠন করেছি। যদিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব রিপোর্ট আসেনি, তবু আমরা সময় দিচ্ছি — কারণ টেকসই পরিবর্তন একদিনে আসে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা স্বীকার করছি, ভুলত্রুটি হবে। কিন্তু জনগণের আস্থা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই আস্থা নিয়েই আমরা দেশকে নতুন করে গড়তে চাই।”
ড. ইউনূস বলেন, “দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, স্বস্তি চায়। আমরা সেই স্বস্তি ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে দেশকে সামনে এগিয়ে নেব — এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।”