
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার শোলাকুড়া এলাকায় সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক সালিশ বৈঠকে কথা কাটাকাটির পর সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন, এর মধ্যে বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদও রয়েছেন।
এ ঘটনায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। আহত বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এবং তিনি স্থানীয় বাসিন্দা।
সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংড়া ইউনিয়নের পীরসাববাড়ি এলাকায় মুলিয়া এবং সাকরাইল গ্রামের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, যার ফলে দুই গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
সালিশ বৈঠক আয়োজনের পর, যেখানে শুকুর মাহমুদ বিরোধ মেটানোর দায়িত্বে ছিলেন, সেখানে দুই গ্রামবাসী আবারও ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে সংঘর্ষে নামেন। এর ফলে শুকুর মাহমুদসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। খবরটি তার নিজ গ্রাম সহদেবপুরে পৌঁছালে সেখানকার লোকজনও সংঘর্ষে যোগ দেন এবং ত্রিমুখী সংঘর্ষ শুরু হয়।
এ সময় মুলিয়া গ্রামের বাজারে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এরপর, তিন গ্রামবাসী টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের তিনদিক অবরোধ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে, ফলে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে, এ বিষয়ে পুলিশে কোনো অভিযোগ এখনও জমা পড়েনি বলে তিনি জানান।
এ ঘটনায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়। আহত বিএনপি নেতা শুকুর মাহমুদ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এবং তিনি স্থানীয় বাসিন্দা।
সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংড়া ইউনিয়নের পীরসাববাড়ি এলাকায় মুলিয়া এবং সাকরাইল গ্রামের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, যার ফলে দুই গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
সালিশ বৈঠক আয়োজনের পর, যেখানে শুকুর মাহমুদ বিরোধ মেটানোর দায়িত্বে ছিলেন, সেখানে দুই গ্রামবাসী আবারও ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে সংঘর্ষে নামেন। এর ফলে শুকুর মাহমুদসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। খবরটি তার নিজ গ্রাম সহদেবপুরে পৌঁছালে সেখানকার লোকজনও সংঘর্ষে যোগ দেন এবং ত্রিমুখী সংঘর্ষ শুরু হয়।
এ সময় মুলিয়া গ্রামের বাজারে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এরপর, তিন গ্রামবাসী টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের তিনদিক অবরোধ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে, ফলে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে, এ বিষয়ে পুলিশে কোনো অভিযোগ এখনও জমা পড়েনি বলে তিনি জানান।