
গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, গুমের প্রতিটি ঘটনা শেখ হাসিনার নির্দেশে হয়েছে। তিনি এই মন্তব্যটি গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সংবাদ সম্মেলনে করেন।
বিচারপতি মইনুল জানান, প্রতিটি গুমের ঘটনা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে হয়েছে, এবং ওই সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের যদি গুমের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকে, তবে সেটা তাদের ব্যক্তিগত ফৌজদারি দায়। তিনি আরও বলেন, কমিউনিটিকে এর জন্য দায়ী করা উচিত নয়।
এছাড়া, গুম কমিশনের সদস্য নূর খান এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, পুলিশ লাইনে গোপন বন্দিশালা তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে বন্দিদের নির্যাতন করা হতো।
তিনি উল্লেখ করেন, বগুড়ায় এমন একটি গোপন বন্দিশালা পাওয়া গেছে এবং আরও অনেক স্থানে এমন বন্দিশালা থাকতে পারে। তিনি জানান, এসব বন্দিশালা গত ১০-১২ বছরে নির্মিত হয়েছিল, এবং এসব স্থানে জিজ্ঞাসাবাদের নামে বন্দিদের ওপর নির্যাতন চালানো হতো এবং কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটেছে।
বিচারপতি মইনুল জানান, প্রতিটি গুমের ঘটনা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে হয়েছে, এবং ওই সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের যদি গুমের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকে, তবে সেটা তাদের ব্যক্তিগত ফৌজদারি দায়। তিনি আরও বলেন, কমিউনিটিকে এর জন্য দায়ী করা উচিত নয়।
এছাড়া, গুম কমিশনের সদস্য নূর খান এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, পুলিশ লাইনে গোপন বন্দিশালা তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে বন্দিদের নির্যাতন করা হতো।
তিনি উল্লেখ করেন, বগুড়ায় এমন একটি গোপন বন্দিশালা পাওয়া গেছে এবং আরও অনেক স্থানে এমন বন্দিশালা থাকতে পারে। তিনি জানান, এসব বন্দিশালা গত ১০-১২ বছরে নির্মিত হয়েছিল, এবং এসব স্থানে জিজ্ঞাসাবাদের নামে বন্দিদের ওপর নির্যাতন চালানো হতো এবং কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটেছে।