
গাজায় যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপে আলোচনায় বসতে প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে ইসরাইল ও হামাস। শনিবার (৮ মার্চ) এই প্রস্তুতির কথা জানায় দুই পক্ষই। রোববার (৯ মার্চ) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ৪২ দিনের যুদ্ধবিরতি আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারীদের চাপের মধ্যে এই ইঙ্গিত দিল ইসরাইল ও হামাস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাস জানিয়েছে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা শুরু হওয়ার জন্য ‘ইতিবাচক নির্দেশনা’ পাওয়া গেছে, যদিও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে, ইসরাইলও জানিয়েছে তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, মার্কিন সমর্থিত মধ্যস্থতাকারীদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে ইসরাইল এবং আলোচনার অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আগামী সোমবার দোহায় একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হবে।
অন্যদিকে, হামাসের একটি প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে কায়রোতে মিশরের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করছে, যাতে কাতারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় সহজ হয়। তাদের লক্ষ্য হলো চুক্তির পরবর্তী ধাপে গিয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটানো।
হামাসের মুখপাত্র আবদেল-লতিফ আল-কানৌয়া বলেন, “আমাদের জনগণের ন্যায্য দাবি পূরণের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিতে আমরা প্রস্তুত। আমরা গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা বাড়ানো ও অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
তবে কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেও সহিংসতা থামেনি। শনিবার দক্ষিণ গাজার রাফায় ইসরাইলি বিমান হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে ইসরাইল-হামাসের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘর্ষ কিছুটা থেমেছিল, তবে টেকসই শান্তির জন্য এখনো দীর্ঘ পথ বাকি।
জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ৪২ দিনের যুদ্ধবিরতি আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারীদের চাপের মধ্যে এই ইঙ্গিত দিল ইসরাইল ও হামাস।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাস জানিয়েছে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা শুরু হওয়ার জন্য ‘ইতিবাচক নির্দেশনা’ পাওয়া গেছে, যদিও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে, ইসরাইলও জানিয়েছে তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, মার্কিন সমর্থিত মধ্যস্থতাকারীদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে ইসরাইল এবং আলোচনার অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আগামী সোমবার দোহায় একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হবে।
অন্যদিকে, হামাসের একটি প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে কায়রোতে মিশরের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করছে, যাতে কাতারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় সহজ হয়। তাদের লক্ষ্য হলো চুক্তির পরবর্তী ধাপে গিয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটানো।
হামাসের মুখপাত্র আবদেল-লতিফ আল-কানৌয়া বলেন, “আমাদের জনগণের ন্যায্য দাবি পূরণের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিতে আমরা প্রস্তুত। আমরা গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা বাড়ানো ও অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
তবে কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেও সহিংসতা থামেনি। শনিবার দক্ষিণ গাজার রাফায় ইসরাইলি বিমান হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে ইসরাইল-হামাসের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘর্ষ কিছুটা থেমেছিল, তবে টেকসই শান্তির জন্য এখনো দীর্ঘ পথ বাকি।