ভেনেজুয়েলা তার আকাশসীমা ‘সম্পূর্ণভাবে’ বন্ধ করার মার্কিন ঘোষণার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘ঔপনিবেশিক হুমকি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে এবং উল্লেখ করেছে, এটি ভেনেজুয়েলার জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধ ও অযৌক্তিক আগ্রাসন।
আগের দিন শুক্রবার ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে জানিয়েছিলেন, সকল বিমান সংস্থা, পাইলট, মাদক ব্যবসায়ী ও মানবপাচারকারীরা ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা ও আশেপাশের আকাশসীমা বন্ধ রাখার কথা বিবেচনা করুন। এই ঘোষণার আগে তিনি কয়েক সপ্তাহ ধরে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের বিরুদ্ধে বক্তৃতা বাড়িয়েছিলেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন মাদকপাচারের অভিযোগের আড়ালে মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রচেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ক্যারিবীয় অঞ্চলে বিমানবাহী জাহাজ মোতায়েন করেছে এবং মাদকসংক্রান্ত অভিযানে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে, যা জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখছেন।
মাদুরো গত বৃহস্পতিবার জাতীয় টেলিভিশনে ঘোষণা করেন, জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না। ভেনেজুয়েলার রাজনীতি ও ইতিহাসের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতি ও নাগরিকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর এবং এটি ভেনেজুয়েলার জনগণের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার আকাশসীমায় সম্ভাব্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। এরপর দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ বিমান সংস্থা ভেনেজুয়েলায় ফ্লাইট স্থগিত করে, যা কারাকাসের ক্ষোভ বাড়িয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই নীতিতে মাদুরোকে অপসারণের মূল উদ্দেশ্য, তবে এটি ভেনেজুয়েলার জনগণকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। অর্থনৈতিক জটিলতা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং অভিবাসনের সমস্যায় ভুগছে দেশটি, যা এই পদক্ষেপে আরও তীব্র হবে।
আগের দিন শুক্রবার ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে জানিয়েছিলেন, সকল বিমান সংস্থা, পাইলট, মাদক ব্যবসায়ী ও মানবপাচারকারীরা ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা ও আশেপাশের আকাশসীমা বন্ধ রাখার কথা বিবেচনা করুন। এই ঘোষণার আগে তিনি কয়েক সপ্তাহ ধরে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের বিরুদ্ধে বক্তৃতা বাড়িয়েছিলেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন মাদকপাচারের অভিযোগের আড়ালে মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রচেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ক্যারিবীয় অঞ্চলে বিমানবাহী জাহাজ মোতায়েন করেছে এবং মাদকসংক্রান্ত অভিযানে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে, যা জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখছেন।
মাদুরো গত বৃহস্পতিবার জাতীয় টেলিভিশনে ঘোষণা করেন, জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না। ভেনেজুয়েলার রাজনীতি ও ইতিহাসের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতি ও নাগরিকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর এবং এটি ভেনেজুয়েলার জনগণের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার আকাশসীমায় সম্ভাব্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। এরপর দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ বিমান সংস্থা ভেনেজুয়েলায় ফ্লাইট স্থগিত করে, যা কারাকাসের ক্ষোভ বাড়িয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই নীতিতে মাদুরোকে অপসারণের মূল উদ্দেশ্য, তবে এটি ভেনেজুয়েলার জনগণকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। অর্থনৈতিক জটিলতা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং অভিবাসনের সমস্যায় ভুগছে দেশটি, যা এই পদক্ষেপে আরও তীব্র হবে।