বরিশাল নগরীর ব্যস্ত প্রাণকেন্দ্র সদর রোডে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল মোটরসাইকেলের হেলমেট চুরির ঘটনায়। মুহূর্তের মধ্যেই দামি হেলমেট উধাও হয়ে যেত। এতে ক্ষুব্ধ হচ্ছিলেন চালকরা, উদ্বিগ্ন হচ্ছিলেন পথচারীরাও।তবে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে স্থানীয়রা অবশেষে সেই চোরকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।ঘটনাটি সদর রোডের বিবির পুকুর পাড় এলাকায় ঘটে। তবে এবার দৃশ্যটা ছিল ভিন্ন। চোরকে মারধর করা হয়নি, বরং বেছে নেয়া হয়েছে এক ব্যতিক্রমী শাস্তি-শীতের রাতে পুকুরে নেমে কান ধরে ২০ বার ডুব দেয়া।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি পার্ক করা মোটরসাইকেল থেকে হেলমেট চুরি করার সময় ইউসুফ নামের ওই যুবককে ধরা হয়। সে নিজেকে উজিরপুর উপজেলার মশাং গ্রামের বাসিন্দা বলে পরিচয় দেয় এবং বর্তমানে নগরীর সাগরদি এলাকায় থাকেন।
ভিড়ের মধ্যে সবার সামনে নিজের ভুল স্বীকার করে ইউসুফ অনুরোধ করেন, তাকে যেন মারধর না করা হয়। শাস্তি হিসেবে সে নিজেই পুকুরে নেমে ডুব দিতে রাজি হন। এরপর শীতের রাতে বিবির পুকুরে নেমে একের পর এক ২০টি ডুব দেন, কান ধরে মাথা নিচু করে।চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ নীরবে এই দৃশ্য দেখেন। ভেজা শরীরে কাঁপতে থাকা যুবক যেন প্রতিটি ডুবের সঙ্গে নিজের অপরাধের বোঝা কমিয়ে নিচ্ছিল।পরে স্থানীয় কয়েকজন তাকে কাছের ফুটপাতের দোকান থেকে নতুন প্যান্ট ও টি-শার্ট কিনে দেন। ভেজা কাপড় বদলে নতুন পোশাকে যখন সে এলাকা ছাড়েন, তখন অনেকেই বলেন, শুধু শাস্তি নয়, ক্ষমার হাত বাড়ালেই মানুষ বদলায়।
এই ঘটনা নগরজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ বলছেন, এটি অপরাধ দমনের মানবিক উদাহরণ। আবার অনেকে মনে করছেন, এমন অভিজ্ঞতা হয়তো একজন তরুণকে নতুন পথে ফিরিয়ে আনতে পারে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি পার্ক করা মোটরসাইকেল থেকে হেলমেট চুরি করার সময় ইউসুফ নামের ওই যুবককে ধরা হয়। সে নিজেকে উজিরপুর উপজেলার মশাং গ্রামের বাসিন্দা বলে পরিচয় দেয় এবং বর্তমানে নগরীর সাগরদি এলাকায় থাকেন।
ভিড়ের মধ্যে সবার সামনে নিজের ভুল স্বীকার করে ইউসুফ অনুরোধ করেন, তাকে যেন মারধর না করা হয়। শাস্তি হিসেবে সে নিজেই পুকুরে নেমে ডুব দিতে রাজি হন। এরপর শীতের রাতে বিবির পুকুরে নেমে একের পর এক ২০টি ডুব দেন, কান ধরে মাথা নিচু করে।চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ নীরবে এই দৃশ্য দেখেন। ভেজা শরীরে কাঁপতে থাকা যুবক যেন প্রতিটি ডুবের সঙ্গে নিজের অপরাধের বোঝা কমিয়ে নিচ্ছিল।পরে স্থানীয় কয়েকজন তাকে কাছের ফুটপাতের দোকান থেকে নতুন প্যান্ট ও টি-শার্ট কিনে দেন। ভেজা কাপড় বদলে নতুন পোশাকে যখন সে এলাকা ছাড়েন, তখন অনেকেই বলেন, শুধু শাস্তি নয়, ক্ষমার হাত বাড়ালেই মানুষ বদলায়।
এই ঘটনা নগরজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ বলছেন, এটি অপরাধ দমনের মানবিক উদাহরণ। আবার অনেকে মনে করছেন, এমন অভিজ্ঞতা হয়তো একজন তরুণকে নতুন পথে ফিরিয়ে আনতে পারে।