কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত দুই থেকে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলীয়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।নিহতরা হলেন: দেলোয়ার হোসেন নয়ন ও মো. আব্দুর রাজ্জাক। সংঘর্ষের সময় তারা ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলীয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় আবুল খায়ের মেম্বার গ্রুপ ও সালেহ আহম্মদ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে শুক্রবার দুপুরে দুই গ্রুপের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।সূত্র আরও জানায়, এর আগে গত ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে একই দুই পক্ষের সংঘর্ষে আলাউদ্দিন নামের একজন সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হন। ওই ঘটনার জেরে গ্রামে এক পক্ষ অপর পক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে বেশ কয়েকটি পরিবারের সদস্য দীর্ঘ দিন এলাকা ছেড়ে বাইরে অবস্থান করতে বাধ্য হয়।
সম্প্রতি সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে ওই পরিবারগুলো নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে এলে আবারও এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবারের এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী অবস্থান করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলীয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় আবুল খায়ের মেম্বার গ্রুপ ও সালেহ আহম্মদ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে শুক্রবার দুপুরে দুই গ্রুপের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।সূত্র আরও জানায়, এর আগে গত ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে একই দুই পক্ষের সংঘর্ষে আলাউদ্দিন নামের একজন সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হন। ওই ঘটনার জেরে গ্রামে এক পক্ষ অপর পক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে বেশ কয়েকটি পরিবারের সদস্য দীর্ঘ দিন এলাকা ছেড়ে বাইরে অবস্থান করতে বাধ্য হয়।
সম্প্রতি সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে ওই পরিবারগুলো নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে এলে আবারও এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবারের এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী অবস্থান করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।