ঢাকাই শোবিজের জনপ্রিয় দুই তারকা অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি এবং জনপ্রিয় উপস্থাপক ও অভিনেতা-পরিচালক শাহরিয়ার নাজিম জয়। এই দুই তারকার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন আপাতত অনিশ্চয়তায় পড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নাগরিকত্বের জন্য তাদের গ্রিনকার্ডের আবেদন বাতিল করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।
দীর্ঘদিন ধরেই মাহি ও জয় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে সেখানে স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের। সেই লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করেন এই দুই তারকা। তবে কাগজপত্রের জটিলতা এবং আবেদন সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে কর্তৃপক্ষ পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে না পারায় আবেদন বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিষয়টি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আমলের কঠোর অভিবাসন নীতির আওতায়ই ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।এ নিয়ে মাহি কিংবা শাহরিয়ার নাজিম জয় কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশি শিল্পীদের মধ্যে বিষয়টি এখন ‘ওপেন সিক্রেট’ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।বিশ্বস্ত একাধিক সূত্র জানায়, প্রায় এক বছর ধরে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার চেষ্টা করছিলেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে তিনি উল্লেখযোগ্য অংকের অর্থও ব্যয় করেন। তবে শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় আপাতত তিনি দেশে ফিরে এসেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে মাহি যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন। যদিও তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অনেকদিন কোনো নতুন কাজেও তার দেখা মিলছে না।এদিকে বিনোদন অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন ও কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার পথ এখন আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়ে উঠেছে। অন্য শিল্পী-তারকারাও তাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নিয়ে আরও বেশি সচেতন হয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরেই মাহি ও জয় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে সেখানে স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের। সেই লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করেন এই দুই তারকা। তবে কাগজপত্রের জটিলতা এবং আবেদন সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে কর্তৃপক্ষ পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে না পারায় আবেদন বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিষয়টি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আমলের কঠোর অভিবাসন নীতির আওতায়ই ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।এ নিয়ে মাহি কিংবা শাহরিয়ার নাজিম জয় কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশি শিল্পীদের মধ্যে বিষয়টি এখন ‘ওপেন সিক্রেট’ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।বিশ্বস্ত একাধিক সূত্র জানায়, প্রায় এক বছর ধরে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার চেষ্টা করছিলেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে তিনি উল্লেখযোগ্য অংকের অর্থও ব্যয় করেন। তবে শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় আপাতত তিনি দেশে ফিরে এসেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে মাহি যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন। যদিও তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অনেকদিন কোনো নতুন কাজেও তার দেখা মিলছে না।এদিকে বিনোদন অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন ও কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার পথ এখন আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়ে উঠেছে। অন্য শিল্পী-তারকারাও তাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নিয়ে আরও বেশি সচেতন হয়েছেন।