মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে আহত একটি বিষধর গোখরা সাপকে ঘরে এনে লালনপালন করছেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার এক অটোমেকানিক। দুই মাস ধরে সাপটি বাড়িতে রাখায় এলাকায় তৈরি হয়েছে আতঙ্ক ও নানা আলোচনা।ঘটনাটি রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়নের উজালপুর গ্রামের বাসিন্দা আশরাফুল ইসলাম (৪৫)-কে ঘিরে। পেশায় অটোমেকানিক আশরাফুল জানান, জীবনের নানা পর্যায়ে প্রতারণার শিকার হয়ে মানুষের ওপর বিশ্বাস উঠে গেছে তাঁর। সেই বিশ্বাসহীনতা থেকেই তিনি আহত অবস্থায় পাওয়া একটি গোখরা সাপকে উদ্ধার করে বাড়িতে রেখে সেবা করছেন।
আশরাফুলের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে গ্রামের মোড়ে একটি পুরোনো বটগাছ কাটার সময় করাতের আঘাতে আহত হয় গোখরা সাপটি। স্থানীয়রা সাপটিকে মেরে ফেলতে চাইলে তিনি বাধা দিয়ে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তখন থেকে সাপটিকে দুধ ও ডিম খাওয়াচ্ছেন তিনি। সাপটির দৈর্ঘ্য প্রায় দুই ফুট এবং বয়স আনুমানিক এক বছর। বিষদাঁত না ভেঙেই সাপটিকে লালন করছেন বলে জানান আশরাফুল।
তিনি বলেন, আমি বহু মানুষকে সহযোগিতা করেছি। কিন্তু বিপদের সময় কাউকে পাশে পাইনি। বিদেশ যাওয়ার জন্য বিশ্বাস করে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম সেটাও প্রতারণার শিকার হয়েছি। মানুষ আশা দেয়, কিন্তু পাশে দাঁড়ায় না। তাই মানুষের চেয়ে অবলা প্রাণীকে বিশ্বাস করাই ভালো মনে করেছি।
আশরাফুলের পরিবার এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। তার স্ত্রী পারভিন বেগম (৩৮), ছেলে শাওন ইসলাম (১৮) ও মেয়ে সুমাইয়া খাতুন (৯) সাপটি ঘরে রাখায় বিরক্ত ও আতঙ্কিত। প্রতিবেশীরাও বিষয়টিকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সুলতান আলী বলেন, সাপ তো আপন-পর চেনে না। এটা খুবই ভয়ংকর। আরেক প্রতিবেশী মহিনুল ইসলাম বলেন, এভাবে সাপ রাখায় অনেকে তাকে পাগল বলেও মন্তব্য করছে।
এ বিষয়ে বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রাজশাহী অঞ্চলের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, সাপ কখনো পোষ মানে না। বিষধর সাপ বাড়িতে রাখা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া বন্য প্রাণীকে এভাবে বাড়িতে রাখা আইনবিরুদ্ধ। তবে আশরাফুল এসব সতর্কতা উপেক্ষা করেই সাপটি রাখার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। তার কথায়, মানুষই সবচেয়ে বেশি আঘাত দেয়। আমি বহুবার আঘাত পেয়েছি। এখন এসব কথায় আর কিছু যায় আসে না।
আশরাফুলের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে গ্রামের মোড়ে একটি পুরোনো বটগাছ কাটার সময় করাতের আঘাতে আহত হয় গোখরা সাপটি। স্থানীয়রা সাপটিকে মেরে ফেলতে চাইলে তিনি বাধা দিয়ে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তখন থেকে সাপটিকে দুধ ও ডিম খাওয়াচ্ছেন তিনি। সাপটির দৈর্ঘ্য প্রায় দুই ফুট এবং বয়স আনুমানিক এক বছর। বিষদাঁত না ভেঙেই সাপটিকে লালন করছেন বলে জানান আশরাফুল।
তিনি বলেন, আমি বহু মানুষকে সহযোগিতা করেছি। কিন্তু বিপদের সময় কাউকে পাশে পাইনি। বিদেশ যাওয়ার জন্য বিশ্বাস করে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম সেটাও প্রতারণার শিকার হয়েছি। মানুষ আশা দেয়, কিন্তু পাশে দাঁড়ায় না। তাই মানুষের চেয়ে অবলা প্রাণীকে বিশ্বাস করাই ভালো মনে করেছি।
আশরাফুলের পরিবার এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। তার স্ত্রী পারভিন বেগম (৩৮), ছেলে শাওন ইসলাম (১৮) ও মেয়ে সুমাইয়া খাতুন (৯) সাপটি ঘরে রাখায় বিরক্ত ও আতঙ্কিত। প্রতিবেশীরাও বিষয়টিকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সুলতান আলী বলেন, সাপ তো আপন-পর চেনে না। এটা খুবই ভয়ংকর। আরেক প্রতিবেশী মহিনুল ইসলাম বলেন, এভাবে সাপ রাখায় অনেকে তাকে পাগল বলেও মন্তব্য করছে।
এ বিষয়ে বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রাজশাহী অঞ্চলের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, সাপ কখনো পোষ মানে না। বিষধর সাপ বাড়িতে রাখা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া বন্য প্রাণীকে এভাবে বাড়িতে রাখা আইনবিরুদ্ধ। তবে আশরাফুল এসব সতর্কতা উপেক্ষা করেই সাপটি রাখার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন। তার কথায়, মানুষই সবচেয়ে বেশি আঘাত দেয়। আমি বহুবার আঘাত পেয়েছি। এখন এসব কথায় আর কিছু যায় আসে না।