ঢাকা আন্তঃজেলা ‘চোর চক্রের’ অন্যতম প্রধান সদস্য এস এম বরকত উল্লাহ মিঠুকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে শনিবার পল্টন থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মিঠুর অবস্থান শনাক্ত করে উত্তরায় অভিযান চালায়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। পরে সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, মিঠু একজন পেশাদার অপরাধী। তার বিরুদ্ধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডিএমপির খিলগাঁও থানায় রয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা, নেত্রকোনা সদর থানায় চুরির মামলা এবং ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা ও শেরেবাংলা নগর থানায় রয়েছে আরও চুরির অভিযোগ।
সবশেষ একটি জাতীয় পত্রিকা থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগেও গত বছরের ২৮ অক্টোবর পল্টন থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।
পল্টন থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাহফুজ আক্তার জানিয়েছেন, মিঠুকে ঘিরে তদন্ত আরও জোরদার করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে শনিবার পল্টন থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মিঠুর অবস্থান শনাক্ত করে উত্তরায় অভিযান চালায়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। পরে সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, মিঠু একজন পেশাদার অপরাধী। তার বিরুদ্ধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডিএমপির খিলগাঁও থানায় রয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা, নেত্রকোনা সদর থানায় চুরির মামলা এবং ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা ও শেরেবাংলা নগর থানায় রয়েছে আরও চুরির অভিযোগ।
সবশেষ একটি জাতীয় পত্রিকা থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগেও গত বছরের ২৮ অক্টোবর পল্টন থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।
পল্টন থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাহফুজ আক্তার জানিয়েছেন, মিঠুকে ঘিরে তদন্ত আরও জোরদার করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।