সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আগামী ৩১ জানুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচন ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলের নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ বুঝতে পারছে যে জামায়াতের নারী কর্মীরা বর্তমানে খুবই সক্রিয়। এ কারণেই সারাদেশে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। নারীদের সম্মান ও নিরাপত্তা রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। যারা নারীর অধিকার ও স্বাধীনতার কথা বেশি বলে, তারাই আজ নারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় হাত ও জিহবা কেটে ফেলার মতো ভয়ংকর হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন যদি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ না হয়, তাহলে ফলাফল যাই হোক না কেন তা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত বিষয়টি অনুধাবন করা। জোর করে ক্ষমতায় গেলে আগের চেয়েও ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে। ডা. তাহের বলেন, একটি অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যে জামায়াতে নারীর গুরুত্ব কম। বাস্তবে এবারের নির্বাচনে জামায়াতের নারী কর্মীরা অত্যন্ত সক্রিয় এবং নারী সমর্থন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। নারীরা শান্তিপ্রিয়, তারা কোনো বিশৃঙ্খলা পছন্দ করে না। তিনি দাবি করেন, তার নিজ নির্বাচনী এলাকাতেও নারী ভোটারদের সমর্থন বেশি পাবেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, ভোলা ও কেরানীগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। অনেক জায়গায় ভোটকেন্দ্র দখলের মহড়া চলছে। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই একটি পক্ষ কেন্দ্র দখলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন এলাকায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপাররা (এসপি) প্রকাশ্যে পক্ষপাতিত্ব করছেন। নির্বাচন কমিশন ও সরকার এসব ঘটনায় চরম দুর্বলতা দেখাচ্ছে এবং একতরফা অবস্থান নিচ্ছে। এ পরিস্থিতি দেশকে কঠিন পরিণতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের নায়েবে আমীর।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন যদি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ না হয়, তাহলে ফলাফল যাই হোক না কেন তা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত বিষয়টি অনুধাবন করা। জোর করে ক্ষমতায় গেলে আগের চেয়েও ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে। ডা. তাহের বলেন, একটি অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যে জামায়াতে নারীর গুরুত্ব কম। বাস্তবে এবারের নির্বাচনে জামায়াতের নারী কর্মীরা অত্যন্ত সক্রিয় এবং নারী সমর্থন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। নারীরা শান্তিপ্রিয়, তারা কোনো বিশৃঙ্খলা পছন্দ করে না। তিনি দাবি করেন, তার নিজ নির্বাচনী এলাকাতেও নারী ভোটারদের সমর্থন বেশি পাবেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, ভোলা ও কেরানীগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। অনেক জায়গায় ভোটকেন্দ্র দখলের মহড়া চলছে। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই একটি পক্ষ কেন্দ্র দখলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন এলাকায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপাররা (এসপি) প্রকাশ্যে পক্ষপাতিত্ব করছেন। নির্বাচন কমিশন ও সরকার এসব ঘটনায় চরম দুর্বলতা দেখাচ্ছে এবং একতরফা অবস্থান নিচ্ছে। এ পরিস্থিতি দেশকে কঠিন পরিণতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের নায়েবে আমীর।