জনগণকে নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখনও যারা লোভ সামলাতে পারেনি, তারা রাষ্ট্রের জনগণের মান, জান এবং ইজ্জতের নিরাপত্তা এখনই দিচ্ছে না, তখনও দেবে না। আফসোস, তারা মজলুম ছিলেন, কেন যে এখন বদলে গেলেন, বুঝতে পারলাম না। বিভিন্ন জায়গার দখলদারিত্ব নিতে গিয়ে নিজেদেরই ২৩৪ জন শেষ। এরপর আমাদের খুন, গালি দেওয়া শুরু করেছে। যারা চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মামলা-বাণিজ্য, বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষকে হয়রানি করে না, তাদেরকে এখন বলা হচ্ছে 'জালেম'। হায়রে আল্লাহ, এ কী দুনিয়ায় এসে পড়লাম।আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, মাঘ মাসে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, এরা চৈত্র মাসে কি করবে? মাথা ঠান্ডা রাখেন। মাথা গরম করবেন না, রাজনীতি করতে হলে ঠাণ্ডা মাথায় আসেন। রেগে গেলেন তো আপনি হেরে গেলেন। হ্যাঁ, এটাই হেরে যাওয়ার পূর্ব পূর্বাভাস।আগামী ১২ তারিখে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অলরেডি পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণরা তাদের লাল কার্ড দেখিয়েছে। ফ্যাসিবাদ, তোমাকে লাল কার্ড। তুমি যে পোশাক গায়ে দিয়ে আসো, তোমাকে অবশ্যই লাল কার্ড জানাবো।দেশে কারও দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, দেশে রাজার ছেলে রাজা হবে—বংশানুক্রমিক, পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি এই দেশে আর চলবে না। মেধা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে রাজনীতি হবে। এদেশে কোনো আধিপত্যবাদী রাজনীতি আর চলবে না। আমাদের প্রতিবেশীসহ সারা দুনিয়ার সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক থাকবে। সেই সম্পর্ক হবে সমতা এবং মর্যাদার ভিত্তিতে। অমর্যাদাকর কোনো সম্পর্ক আমরা কোনো দেশের সাথে চাই না। আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই।
তিনি আরও বলেন, বিগত ৫৪ বছরে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মানুষের হক নষ্টের, ব্যাংক ডাকাতির, শেয়ার বাজার লুটের করার উন্নয়ন হয়েছে। এমনকি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরকে পথে বসানোর উন্নয়ন হয়েছে। আমরা এ ধরনের উন্নয়ন চাই না।রাজশাহীর কিছু সমস্যা আছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, সব জায়গায় সমস্যা আছে। যেহেতু ইনসাফ কায়েম নেই, যেহেতু দেশকে নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কমিটমেন্ট ও ভিশন নেই। এখানে একটি বহু পুরোনো মেডিকেল কলেজ আছে। যখন আটটি মেডিকেল কলেজ ছিল পূর্ব পাকিস্তানে, তখন এখানে একটা ছিল। সেই মেডিকেল কলেজ এখনও আছে। তার সাথে একটা ডেন্টাল ইউনিট করা হয়েছে। কিন্তু ডেন্টাল কলেজ এখানে স্থাপন করা দরকার। উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিন্তু এটা ঘুমিয়ে পড়েছে।ক্ষমতায় গেলে আপনাদের দাবি করতে হবে না, আমরাই খুঁজে খুঁজে বের করবো জাতিকে সেবা দেওয়ার জন্য কোথায় কি দরকার। আপনাদের ঘুমন্ত এই ডেন্টাল কলেজকে টান দিয়ে আমরা জাগিয়ে তুলে দেবো।
তিনি আরও বলেন, মায়েরা থাকবেন ঘরে, চলাচলে, কর্মস্থলে সব জায়গায় নিরাপদ, থাকবেন মর্যাদার সাথে। শিশু জন্ম নেওয়ার পরে তার পুষ্টি, তার স্বাস্থ্যের পরিচর্যা—এর দায়িত্ব সরকারের। পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনা খরচে শিশুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। শ্রমঘন এরিয়ায় শ্রমিকদের জন্য আলাদা বিশেষায়িত হাসপাতাল হবে।
জামায়াত আমির বলেন, মাঘ মাসে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, এরা চৈত্র মাসে কি করবে? মাথা ঠান্ডা রাখেন। মাথা গরম করবেন না, রাজনীতি করতে হলে ঠাণ্ডা মাথায় আসেন। রেগে গেলেন তো আপনি হেরে গেলেন। হ্যাঁ, এটাই হেরে যাওয়ার পূর্ব পূর্বাভাস।আগামী ১২ তারিখে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অলরেডি পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণরা তাদের লাল কার্ড দেখিয়েছে। ফ্যাসিবাদ, তোমাকে লাল কার্ড। তুমি যে পোশাক গায়ে দিয়ে আসো, তোমাকে অবশ্যই লাল কার্ড জানাবো।দেশে কারও দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, দেশে রাজার ছেলে রাজা হবে—বংশানুক্রমিক, পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি এই দেশে আর চলবে না। মেধা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে রাজনীতি হবে। এদেশে কোনো আধিপত্যবাদী রাজনীতি আর চলবে না। আমাদের প্রতিবেশীসহ সারা দুনিয়ার সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক থাকবে। সেই সম্পর্ক হবে সমতা এবং মর্যাদার ভিত্তিতে। অমর্যাদাকর কোনো সম্পর্ক আমরা কোনো দেশের সাথে চাই না। আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই।
তিনি আরও বলেন, বিগত ৫৪ বছরে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মানুষের হক নষ্টের, ব্যাংক ডাকাতির, শেয়ার বাজার লুটের করার উন্নয়ন হয়েছে। এমনকি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরকে পথে বসানোর উন্নয়ন হয়েছে। আমরা এ ধরনের উন্নয়ন চাই না।রাজশাহীর কিছু সমস্যা আছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, সব জায়গায় সমস্যা আছে। যেহেতু ইনসাফ কায়েম নেই, যেহেতু দেশকে নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কমিটমেন্ট ও ভিশন নেই। এখানে একটি বহু পুরোনো মেডিকেল কলেজ আছে। যখন আটটি মেডিকেল কলেজ ছিল পূর্ব পাকিস্তানে, তখন এখানে একটা ছিল। সেই মেডিকেল কলেজ এখনও আছে। তার সাথে একটা ডেন্টাল ইউনিট করা হয়েছে। কিন্তু ডেন্টাল কলেজ এখানে স্থাপন করা দরকার। উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিন্তু এটা ঘুমিয়ে পড়েছে।ক্ষমতায় গেলে আপনাদের দাবি করতে হবে না, আমরাই খুঁজে খুঁজে বের করবো জাতিকে সেবা দেওয়ার জন্য কোথায় কি দরকার। আপনাদের ঘুমন্ত এই ডেন্টাল কলেজকে টান দিয়ে আমরা জাগিয়ে তুলে দেবো।
তিনি আরও বলেন, মায়েরা থাকবেন ঘরে, চলাচলে, কর্মস্থলে সব জায়গায় নিরাপদ, থাকবেন মর্যাদার সাথে। শিশু জন্ম নেওয়ার পরে তার পুষ্টি, তার স্বাস্থ্যের পরিচর্যা—এর দায়িত্ব সরকারের। পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনা খরচে শিশুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। শ্রমঘন এরিয়ায় শ্রমিকদের জন্য আলাদা বিশেষায়িত হাসপাতাল হবে।