মানুষ সাধারণত সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করেন, এরপর নাশতা করে নিজের কাজকর্মে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তবে কর্মব্যস্ত জীবনে দিনের শেষে রাতে অনেকেই দাঁত ব্রাশ না করেই শুয়ে পড়েন। যদিও সকালে ও রাতে দাঁত ব্রাশ করার গুরুত্ব সম্পর্কে সবারই জানার কথা।
স্বাস্থ্য সচেতনতার অংশ হিসেবে রাতে দাঁত ব্রাশ করার পরামর্শ দেয়া হলেও অনেকেরই এটি অভ্যাসে পরিণত হয়নি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, এই ছোট ভুলের কারণে গুরুতর রোগে আক্রান্ত হতে পারে। বিশেষত, রাতে দাঁত ব্রাশ না করলে হার্টের ক্ষতি হতে পারে।
চিকিৎসক সুদ জানিয়েছেন, রাতে দাঁত ব্রাশ না করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে। মুখের স্বাস্থ্য এবং শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে, এ নিয়ে অনেক গবেষণা চলছে। তিনি বলেন, মুখে ব্যাকটেরিয়া জমে গিয়ে তা রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করতে পারে, যা প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং সময়ের সাথে হার্টে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে মুখের স্বাস্থ্য দুর্বল হলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে, এটি সরাসরি হৃদরোগের কারণ নয়, তবে এর সাথে অনেক ধরনের হৃদরোগের ঝুঁকি জড়িত।
২০২৩ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী, দুর্বল মুখের স্বাস্থ্যবিধি হৃদরোগ ও হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতার ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত। সুদ আরো জানান, যারা নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করেন, তাদের হার্ট ভালো থাকে। প্রতিদিন তিনবার দাঁত ব্রাশ করা এবং নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার করা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
এছাড়া, মুখের ব্যাকটেরিয়া কিভাবে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং হার্টে প্রভাব ফেলে, তা ব্যাখ্যা করেছেন পাবলিক হেলথ বিশেষজ্ঞ ডা. জগদীশ। তিনি বলেন, রাতে দাঁত ব্রাশ না করলে মুখে প্লাক ও ব্যাকটেরিয়া জমে, যা বিষাক্ত পদার্থ নির্গত করে এবং রক্তপ্রবাহে প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যা ধমনীতে প্লাক তৈরি করতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
ডা. জগদীশ আরও বলেন, হৃদরোগের ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করার পরিমাণ, পারিবারিক ইতিহাস, খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও ধূমপানের মতো জীবনযাত্রার অভ্যাস বিবেচনা করা হয়। মাড়ির রোগ প্রতিরোধ এবং প্রদাহ কমানোর মাধ্যমে মুখের যত্ন নেয়া সম্ভব।
অতএব, দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দিনে অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করা এবং ঘুমানোর আগে ফ্লসিং বা ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাস্থ্য সচেতনতার অংশ হিসেবে রাতে দাঁত ব্রাশ করার পরামর্শ দেয়া হলেও অনেকেরই এটি অভ্যাসে পরিণত হয়নি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, এই ছোট ভুলের কারণে গুরুতর রোগে আক্রান্ত হতে পারে। বিশেষত, রাতে দাঁত ব্রাশ না করলে হার্টের ক্ষতি হতে পারে।
চিকিৎসক সুদ জানিয়েছেন, রাতে দাঁত ব্রাশ না করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে। মুখের স্বাস্থ্য এবং শরীরের সামগ্রিক সুস্থতার মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে, এ নিয়ে অনেক গবেষণা চলছে। তিনি বলেন, মুখে ব্যাকটেরিয়া জমে গিয়ে তা রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করতে পারে, যা প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং সময়ের সাথে হার্টে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে মুখের স্বাস্থ্য দুর্বল হলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে, এটি সরাসরি হৃদরোগের কারণ নয়, তবে এর সাথে অনেক ধরনের হৃদরোগের ঝুঁকি জড়িত।
২০২৩ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী, দুর্বল মুখের স্বাস্থ্যবিধি হৃদরোগ ও হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতার ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত। সুদ আরো জানান, যারা নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করেন, তাদের হার্ট ভালো থাকে। প্রতিদিন তিনবার দাঁত ব্রাশ করা এবং নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার করা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
এছাড়া, মুখের ব্যাকটেরিয়া কিভাবে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং হার্টে প্রভাব ফেলে, তা ব্যাখ্যা করেছেন পাবলিক হেলথ বিশেষজ্ঞ ডা. জগদীশ। তিনি বলেন, রাতে দাঁত ব্রাশ না করলে মুখে প্লাক ও ব্যাকটেরিয়া জমে, যা বিষাক্ত পদার্থ নির্গত করে এবং রক্তপ্রবাহে প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যা ধমনীতে প্লাক তৈরি করতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
ডা. জগদীশ আরও বলেন, হৃদরোগের ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করার পরিমাণ, পারিবারিক ইতিহাস, খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও ধূমপানের মতো জীবনযাত্রার অভ্যাস বিবেচনা করা হয়। মাড়ির রোগ প্রতিরোধ এবং প্রদাহ কমানোর মাধ্যমে মুখের যত্ন নেয়া সম্ভব।
অতএব, দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দিনে অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করা এবং ঘুমানোর আগে ফ্লসিং বা ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।