চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত তিনজন রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছে।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়া এলাকার চান মোহাম্মদের ছেলে মোহাম্মদ ইউসুফ (৪৫), একই ইউনিয়নের ফজর আলীর শাকিল (৩৭), ফাঁটাপাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমান (২০) ও মো. মিনহাজ (২২) এবং একই উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের উপরধুমি এলাকার মো. শুভ (২০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ।
তিনি বলেন, বিস্ফোরক আইনে মামলাটি করা হয়েছে। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এদের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণে আহত তিনজনও রয়েছেন।এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ার মৃত মকবুল হোসেনের কালামের বাড়িতে চলছিল ককটেল তৈরির কাজ। এই ককটেল তৈরি করার জন্য এলাকার বাইরে থেকে কারিগর নিয়ে এসেছিল কালামের ছোট ভাই দুলাল (৪০)। দুলাল মূলত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার বংশের লোকজনও আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে। এছাড়াও দুলাল সীমান্ত এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি এবং একাধিক মামলার আসামি।
এলাকাবাসী সূত্রে আরও জানা যায়, সীমান্তবর্তী চরবাগডাঙ্গা এলাকায় দলীয় রাজনীতির চেয়ে ভিলেজ পলিটিক্স এবং গ্রুপিং রাজনীতি বেশি চাঙ্গা। আধিপত্য বিস্তার, মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণসহ নানা কারণে চরবাগডাঙ্গায় দলীয় রাজনীতির বাইরে মোটা দাগে দুই ভাগে গ্রুপিং রাজনীতি বিভক্ত। এক গ্রুপের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর আলী এবং অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দেন চরবাগডাঙ্গার বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ রানা টিপু। আর দুলাল মূলত টিপু চেয়ারম্যানের গ্রুপের লোক। দুলালের বিপরীত আওয়ামী লীগের গ্রুপটি বিএনপির প্রার্থী হারুনুর রশিদের নির্বাচনে সক্রিয় কাজ শুরু করলে নিজের আধিপত্য বিস্তার ও মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য দুলালও নির্বাচনের কয়েকদিন আগে থেকে জামায়াতের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুলের পক্ষে তোড়জোড় কাজ শুরু করেন। এরপর নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন। নির্বাচনে জয়লাভের পর দুলাল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্যই বাইরে থেকে কারিগর নিয়ে এসে ককটেল তৈরি করছিল বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ফাঁটাপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মো. কালামের বসতবাড়িতে একদল দুষ্কৃতকারী ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ অবস্থান করছিল। সেখানে তারা ককটেল তৈরি করার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, ঘটনাস্থলেই আলামিন ও জিহাদ নামে দুইজন মারা যান। এছাড়াও বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হওয়া তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের ওপর ধুমিহায়াতপুর এলাকার মোয়াজ্জেমের ছেলে আলামিন (২০) এবং শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের মনিরুল ইসলামের ছেলে জিহাদ (১৭)।এছাড়া আহত তিনজন হলেন, সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাঁটাপাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমান (২০) ও মো. মিনহাজ (২২) এবং একই উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের উপরধুমি এলাকার মো. শুভ (২০)। আহত বজলুর রহমান ও মিনহাজ হলো ককটেল তৈরির মূলহোতা দুলালের চাচা ও ভাতিজা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ।
তিনি বলেন, বিস্ফোরক আইনে মামলাটি করা হয়েছে। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এদের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণে আহত তিনজনও রয়েছেন।এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ার মৃত মকবুল হোসেনের কালামের বাড়িতে চলছিল ককটেল তৈরির কাজ। এই ককটেল তৈরি করার জন্য এলাকার বাইরে থেকে কারিগর নিয়ে এসেছিল কালামের ছোট ভাই দুলাল (৪০)। দুলাল মূলত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার বংশের লোকজনও আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে। এছাড়াও দুলাল সীমান্ত এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি এবং একাধিক মামলার আসামি।
এলাকাবাসী সূত্রে আরও জানা যায়, সীমান্তবর্তী চরবাগডাঙ্গা এলাকায় দলীয় রাজনীতির চেয়ে ভিলেজ পলিটিক্স এবং গ্রুপিং রাজনীতি বেশি চাঙ্গা। আধিপত্য বিস্তার, মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণসহ নানা কারণে চরবাগডাঙ্গায় দলীয় রাজনীতির বাইরে মোটা দাগে দুই ভাগে গ্রুপিং রাজনীতি বিভক্ত। এক গ্রুপের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর আলী এবং অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দেন চরবাগডাঙ্গার বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ রানা টিপু। আর দুলাল মূলত টিপু চেয়ারম্যানের গ্রুপের লোক। দুলালের বিপরীত আওয়ামী লীগের গ্রুপটি বিএনপির প্রার্থী হারুনুর রশিদের নির্বাচনে সক্রিয় কাজ শুরু করলে নিজের আধিপত্য বিস্তার ও মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য দুলালও নির্বাচনের কয়েকদিন আগে থেকে জামায়াতের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুলের পক্ষে তোড়জোড় কাজ শুরু করেন। এরপর নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন। নির্বাচনে জয়লাভের পর দুলাল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্যই বাইরে থেকে কারিগর নিয়ে এসে ককটেল তৈরি করছিল বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ফাঁটাপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মো. কালামের বসতবাড়িতে একদল দুষ্কৃতকারী ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ অবস্থান করছিল। সেখানে তারা ককটেল তৈরি করার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, ঘটনাস্থলেই আলামিন ও জিহাদ নামে দুইজন মারা যান। এছাড়াও বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হওয়া তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের ওপর ধুমিহায়াতপুর এলাকার মোয়াজ্জেমের ছেলে আলামিন (২০) এবং শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের মনিরুল ইসলামের ছেলে জিহাদ (১৭)।এছাড়া আহত তিনজন হলেন, সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাঁটাপাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমান (২০) ও মো. মিনহাজ (২২) এবং একই উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের উপরধুমি এলাকার মো. শুভ (২০)। আহত বজলুর রহমান ও মিনহাজ হলো ককটেল তৈরির মূলহোতা দুলালের চাচা ও ভাতিজা।