মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চলমান সামরিক হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি)। জোটের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনে সব ধরনের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রোববার (১ মার্চ) জিসিসির সদস্য দেশগুলোর এক জরুরি বৈঠক শেষে এই সম্মিলিত অবস্থান জানানো হয়। গত শনিবার বাহরাইনের রাজধানী মানামাসহ জোটভুক্ত দেশগুলোতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ফলে সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষিতে এই প্রতিক্রিয়া জানাল সংস্থাটি।
জিসিসির সদস্যভুক্ত ছয়টি দেশ—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ওমান, কাতার এবং কুয়েত এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করে। দেশগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বেসামরিক স্থাপনা ও আবাসিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।জোটের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের এই কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, তেহরান প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে জিসিসি সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করলেও নিজেদের সুরক্ষায় পিছু হটবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে এই নতুন উত্তেজনার সূত্রপাত হয় গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে, যখন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালায়। মাত্র নয় মাসের ব্যবধানে তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এই হামলার পরপরই ইরান পাল্টা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ শুরু করে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার প্রভাবেই সৌদি আরব, বাহরাইন ও কুয়েতসহ জিসিসিভুক্ত দেশগুলোতে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায় এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়।
বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে পরোক্ষ আলোচনা চললেও মাঠপর্যায়ে এই সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। জিসিসি দেশগুলো মনে করছে, ইরানের এই আগ্রাসী নীতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
সংস্থাটি বিশ্ব সম্প্রদায়কে এই অস্থিরতা বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় এখনও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখে সদস্য দেশগুলো তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
জিসিসির সদস্যভুক্ত ছয়টি দেশ—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ওমান, কাতার এবং কুয়েত এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করে। দেশগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বেসামরিক স্থাপনা ও আবাসিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।জোটের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের এই কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, তেহরান প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে জিসিসি সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করলেও নিজেদের সুরক্ষায় পিছু হটবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে এই নতুন উত্তেজনার সূত্রপাত হয় গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে, যখন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালায়। মাত্র নয় মাসের ব্যবধানে তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এই হামলার পরপরই ইরান পাল্টা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ শুরু করে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার প্রভাবেই সৌদি আরব, বাহরাইন ও কুয়েতসহ জিসিসিভুক্ত দেশগুলোতে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায় এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়।
বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে পরোক্ষ আলোচনা চললেও মাঠপর্যায়ে এই সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। জিসিসি দেশগুলো মনে করছে, ইরানের এই আগ্রাসী নীতি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
সংস্থাটি বিশ্ব সম্প্রদায়কে এই অস্থিরতা বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় এখনও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখে সদস্য দেশগুলো তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি