মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে ঘোষণা করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ‘থার্ড ওয়েভ’ সামরিক অভিযান শুরু করেছে। এটি এসেছে অপারেশন এপিক ফিউরি-এর প্রাথমিক ধাপের পর, যেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন।
ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বেশিরভাগ সামরিক স্থাপনা ইতিমধ্যেই ধ্বংস করা হয়েছে এবং নতুন হামলাগুলো মূলত ইরানি নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ইসরাইল একটি সূত্রের বরাতে সিএনএনকে জানিয়েছে যে, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের জন্য দায়িত্বরত গোষ্ঠীর কম্পাউন্ডেও হামলা চালানো হয়েছে।
জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এর সঙ্গে ওভাল অফিসে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে ট্রাম্প বলেছেন, “প্রথম আঘাতে ৪৯ জন নিহত হয়েছিল। আজ নতুন নেতৃত্বের উপর আরেকটি আঘাত হয়েছে, যা গুরুতর বলে মনে হচ্ছে।” তিনি আরও বলেছেন, “নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেন যারা আমাদের নজরে ছিলেন, তাদের বেশিরভাগই মারা গেছেন। এখন আমাদের কাছে একটি নতুন দল রয়েছে, তবে রিপোর্ট অনুসারে তারা ও মারা যেতে পারে।”
ট্রাম্প বলেন, “ইরানের নৌবাহিনী নেই, বিমান বাহিনী নেই। তাদের রাডার ও বিমান শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। প্রায় সবকিছুই পরাজিত হয়েছে।”এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা ধ্বংস করা এবং শাসনব্যবস্থার উপর প্রভাব বিস্তার। তবে ইরানও প্রতিশোধ নিয়েছে। দেশটি বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি এবং রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া, হিজবুল্লাহ ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নিয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা হামলার কারণ সম্পর্কে কিছুটা ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইসরাইলের হামলার পরিকল্পনা জানার পরই যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে ট্রাম্প নিজেই বলেন, প্রথমে তিনি ইরানের আক্রমণ রোধ করতে চাইছিলেন, পারমাণবিক আলোচনার চলমান প্রেক্ষাপট দেখে।
শনিবার, পারমাণবিক আলোচনার মাঝেই, ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ অভিযান চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যা করেছে। এর প্রতিশোধে, তেহরান মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলে হামলা চালিয়েছে।
ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বেশিরভাগ সামরিক স্থাপনা ইতিমধ্যেই ধ্বংস করা হয়েছে এবং নতুন হামলাগুলো মূলত ইরানি নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ইসরাইল একটি সূত্রের বরাতে সিএনএনকে জানিয়েছে যে, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের জন্য দায়িত্বরত গোষ্ঠীর কম্পাউন্ডেও হামলা চালানো হয়েছে।
জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এর সঙ্গে ওভাল অফিসে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে ট্রাম্প বলেছেন, “প্রথম আঘাতে ৪৯ জন নিহত হয়েছিল। আজ নতুন নেতৃত্বের উপর আরেকটি আঘাত হয়েছে, যা গুরুতর বলে মনে হচ্ছে।” তিনি আরও বলেছেন, “নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেন যারা আমাদের নজরে ছিলেন, তাদের বেশিরভাগই মারা গেছেন। এখন আমাদের কাছে একটি নতুন দল রয়েছে, তবে রিপোর্ট অনুসারে তারা ও মারা যেতে পারে।”
ট্রাম্প বলেন, “ইরানের নৌবাহিনী নেই, বিমান বাহিনী নেই। তাদের রাডার ও বিমান শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। প্রায় সবকিছুই পরাজিত হয়েছে।”এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা ধ্বংস করা এবং শাসনব্যবস্থার উপর প্রভাব বিস্তার। তবে ইরানও প্রতিশোধ নিয়েছে। দেশটি বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি এবং রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া, হিজবুল্লাহ ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নিয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা হামলার কারণ সম্পর্কে কিছুটা ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইসরাইলের হামলার পরিকল্পনা জানার পরই যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে ট্রাম্প নিজেই বলেন, প্রথমে তিনি ইরানের আক্রমণ রোধ করতে চাইছিলেন, পারমাণবিক আলোচনার চলমান প্রেক্ষাপট দেখে।
শনিবার, পারমাণবিক আলোচনার মাঝেই, ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ অভিযান চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যা করেছে। এর প্রতিশোধে, তেহরান মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলে হামলা চালিয়েছে।