বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন, অতীতের সরকারের সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত করা। বেকারত্ব কমানো এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি)-এর নিয়ন্ত্রণে থাকা পাটকলগুলো বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইজারা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পাট শিল্পের উন্নয়নে সরকার স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে পাট খাতের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা এবং ‘গোল্ডেন ফাইবার অব বাংলাদেশ’ নামে পাটের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাট অধিদপ্তরের অধীনে ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত কৃষকদের প্রতি বছর বিনামূল্যে পাটের বীজ, সার, বালাইনাশক এবং কৃষি যন্ত্রপাতি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কারের ফলে পাটকে তার ঐতিহ্যবাহী অবস্থানে ফিরিয়ে আনার পথ আরও সহজ হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে পাট শিল্পকে অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সোনালি আঁশের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে ঘরে ঘরে আবারও পাটের সুদিন ফিরে আসবে— এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে, আগামীকাল রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ ভার্চুয়ালি জাতীয় পাট দিবসের উদ্বোধন করবেন মো. সাহাবুদ্দিন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য— “পাট শিল্প গড়ে তুলুন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন।”
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত করা। বেকারত্ব কমানো এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি)-এর নিয়ন্ত্রণে থাকা পাটকলগুলো বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইজারা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পাট শিল্পের উন্নয়নে সরকার স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে পাট খাতের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা এবং ‘গোল্ডেন ফাইবার অব বাংলাদেশ’ নামে পাটের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাট অধিদপ্তরের অধীনে ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত কৃষকদের প্রতি বছর বিনামূল্যে পাটের বীজ, সার, বালাইনাশক এবং কৃষি যন্ত্রপাতি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কারের ফলে পাটকে তার ঐতিহ্যবাহী অবস্থানে ফিরিয়ে আনার পথ আরও সহজ হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে পাট শিল্পকে অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সোনালি আঁশের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে ঘরে ঘরে আবারও পাটের সুদিন ফিরে আসবে— এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে, আগামীকাল রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ ভার্চুয়ালি জাতীয় পাট দিবসের উদ্বোধন করবেন মো. সাহাবুদ্দিন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য— “পাট শিল্প গড়ে তুলুন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন।”