নাটোরের সিংড়া উপজেলায় মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে ‘অবৈধভাবে’ মজুদ করা ১০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় জড়িত এক ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত।গতকাল শনিবার দুপুরে সিংড়া পৌর এলাকার নিংগইনে এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন। দণ্ডিত মো. রুবেলের বাড়ি নিংগইন ভাটোপাড়া মহল্লায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সিংড়ার নিংগইন ভাটোপাড়া মসজিদের দক্ষিণ পাশে বাঁশের ঝাড়ে মাটির নিচে পানির ট্যাংকি বসিয়ে জ্বালানি তেল সংরক্ষণ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে—এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল রিফাতের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তাঁরা মাটির নিচে ট্যাংকির মধ্যে ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ পান এবং ওই তেল অন্যায়ভাবে সংরক্ষণের দায়ে সিংড়া থানার মোড় এলাকার সততা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. রুবেলকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। এ ছাড়া আজকের মধ্যে ওই ডিজেল দোকানে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইউএনও আব্দুল্লাহ আল রিফাত বলেন, তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি দাম তেল বিক্রির পরিকল্পনা করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।একজন ব্যবসায়ীকে পেট্রোলিয়াম আইন ২০১৬ অনুসারে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁর মজুদের অনুমতি আছে, তবে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বেআইনিভাবে মজুদ করায় এ অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে গতকাল উপজেলার শেরকোল ও হাতিয়ান্দহ বাজারে অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে তিন দোকানিকে আট হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সিংড়ার নিংগইন ভাটোপাড়া মসজিদের দক্ষিণ পাশে বাঁশের ঝাড়ে মাটির নিচে পানির ট্যাংকি বসিয়ে জ্বালানি তেল সংরক্ষণ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে—এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল রিফাতের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তাঁরা মাটির নিচে ট্যাংকির মধ্যে ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ পান এবং ওই তেল অন্যায়ভাবে সংরক্ষণের দায়ে সিংড়া থানার মোড় এলাকার সততা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. রুবেলকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। এ ছাড়া আজকের মধ্যে ওই ডিজেল দোকানে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইউএনও আব্দুল্লাহ আল রিফাত বলেন, তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি দাম তেল বিক্রির পরিকল্পনা করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।একজন ব্যবসায়ীকে পেট্রোলিয়াম আইন ২০১৬ অনুসারে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁর মজুদের অনুমতি আছে, তবে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বেআইনিভাবে মজুদ করায় এ অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে গতকাল উপজেলার শেরকোল ও হাতিয়ান্দহ বাজারে অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে তিন দোকানিকে আট হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।