ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দলীয়করণের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, নির্ধারিত মানদণ্ড ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জগন্নাথপুর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু করা হয়েছে।
প্রথম ধাপে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৮৬টি দরিদ্র, হতদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের নারী প্রধানদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রত্যেক সুবিধাভোগী ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়ানো হবে।
প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ সরাসরি উপকারভোগী নারী প্রধানদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তাই এখানে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, সরকার তার নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর এবং প্রান্তিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী বাজেট থেকে এই কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী বিরোধীদের সমালোচনা করে বলেন, একজন উপদেষ্টার বক্তব্য বিকৃত করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এ ধরনের অপরাজনৈতিক আচরণ গ্রহণ করে না। জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে যারা রাজনীতি করবে, ভবিষ্যতে তারাই টিকে থাকবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শারমিন আক্তার জাহান, জেলা প্রশাসক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জগন্নাথপুর অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু করা হয়েছে।
প্রথম ধাপে বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৮৬টি দরিদ্র, হতদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের নারী প্রধানদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রত্যেক সুবিধাভোগী ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়ানো হবে।
প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ সরাসরি উপকারভোগী নারী প্রধানদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তাই এখানে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, সরকার তার নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর এবং প্রান্তিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী বাজেট থেকে এই কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী বিরোধীদের সমালোচনা করে বলেন, একজন উপদেষ্টার বক্তব্য বিকৃত করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এ ধরনের অপরাজনৈতিক আচরণ গ্রহণ করে না। জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে যারা রাজনীতি করবে, ভবিষ্যতে তারাই টিকে থাকবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শারমিন আক্তার জাহান, জেলা প্রশাসক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।