আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। রোববার (১৫ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
২০০৭ সালে ওয়ানডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় উইকেটরক্ষক ব্যাটার সরফরাজের। এরপর ২০১০ সালে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় তার। পাকিস্তানের হয়ে তিনি খেলেছেন ৫৪টি টেস্ট, ১১৭টি ওয়ানডে ও ৬১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
তিন সংস্করণ মিলিয়ে মোট ৬,১৬৪ রান করেছেন সরফরাজ। ৬টি সেঞ্চুরি ও ৩৫টি ফিফটি করেছেন তিনি। এছাড়া উইকেটের পেছনে নিয়েছেন ৩১৫টি ক্যাচ। আর করেছেন ৫৬টি স্টাম্পিং।
সরফরাজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। তার নেতৃত্বে ফাইনালে ভারতকে ১৮০ রানে হারিয়ে শিরোপা জেতে পাকিস্তান। এর মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতেন। এর আগে ২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও পাকিস্তানকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন তিনি।
২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও পাকিস্তানকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন সরফরাজ আহমেদ অবসরের ঘোষণায় সরফরাজ বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের। ২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতা থেকে ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হাতে তোলা, প্রতিটি মুহূর্তই ছিল বিশেষ।’
২০০৭ সালে ওয়ানডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় উইকেটরক্ষক ব্যাটার সরফরাজের। এরপর ২০১০ সালে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় তার। পাকিস্তানের হয়ে তিনি খেলেছেন ৫৪টি টেস্ট, ১১৭টি ওয়ানডে ও ৬১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
তিন সংস্করণ মিলিয়ে মোট ৬,১৬৪ রান করেছেন সরফরাজ। ৬টি সেঞ্চুরি ও ৩৫টি ফিফটি করেছেন তিনি। এছাড়া উইকেটের পেছনে নিয়েছেন ৩১৫টি ক্যাচ। আর করেছেন ৫৬টি স্টাম্পিং।
সরফরাজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। তার নেতৃত্বে ফাইনালে ভারতকে ১৮০ রানে হারিয়ে শিরোপা জেতে পাকিস্তান। এর মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতেন। এর আগে ২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও পাকিস্তানকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন তিনি।
২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও পাকিস্তানকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন সরফরাজ আহমেদ অবসরের ঘোষণায় সরফরাজ বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের। ২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতা থেকে ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হাতে তোলা, প্রতিটি মুহূর্তই ছিল বিশেষ।’