ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য দুটি প্রীতি ম্যাচের জন্য। তবে জাতীয় দলের কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র এ দলে জায়গা পাননি।
২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট চোটে পড়ে নেইমার জাতীয় দলে খেলতে পারেননি। এরপর তিনি ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু ধারাবাহিক শারীরিক সমস্যা তার পথ বাধাগ্রস্ত করছে।
ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি-এর অধীনে দল দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে যুক্তরাষ্ট্রে—২৬ মার্চ বোস্টনে ফ্রান্স-এর বিপক্ষে এবং ৩১ মার্চ অরল্যান্ডোতে ক্রোয়েশিয়া-এর বিপক্ষে। এই ম্যাচগুলো বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের শেষ মূল্যায়ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল।
নেইমারকে বাদ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে আনচেলত্তি বলেছেন, “নেইমার এখনও ১০০ শতাংশ ফিট নন এবং তার শারীরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে আসেনি। যদি তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে নিজের সেরা ফর্ম দেখাতে পারেন, তাহলে বিশ্বকাপে তার জায়গা নিশ্চিত হতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “নেইমারকে তার গুণাবলী প্রমাণ করতে হবে এবং চোটমুক্ত থেকে ধারাবাহিকভাবে খেলতে হবে।”
নেইমার নিজে বলেছিলেন, তিনি স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়ায় “হতাশ এবং বিষণ্ন” হলেও মনোযোগ অক্ষুণ্ন থাকবে। তিনি জানিয়েছেন, “দলের জন্য সবসময় উল্লাস করব, থাকি বা না থাকি।”
আগামী জুন-জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬। নেইমারের সামনে সান্তোসের হয়ে প্রায় ১০টি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকছে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার আগে, যা সম্ভবত ১৯ মে হতে পারে।
ফিটনেস ছাড়া নেইমারের সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই—তিনি ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা (৭৯ গোল)। তবে তার এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো চোটমুক্ত থাকা এবং ধারাবাহিক ফর্ম বজায় রাখা।
২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট চোটে পড়ে নেইমার জাতীয় দলে খেলতে পারেননি। এরপর তিনি ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু ধারাবাহিক শারীরিক সমস্যা তার পথ বাধাগ্রস্ত করছে।
ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি-এর অধীনে দল দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে যুক্তরাষ্ট্রে—২৬ মার্চ বোস্টনে ফ্রান্স-এর বিপক্ষে এবং ৩১ মার্চ অরল্যান্ডোতে ক্রোয়েশিয়া-এর বিপক্ষে। এই ম্যাচগুলো বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়দের শেষ মূল্যায়ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল।
নেইমারকে বাদ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে আনচেলত্তি বলেছেন, “নেইমার এখনও ১০০ শতাংশ ফিট নন এবং তার শারীরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে আসেনি। যদি তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে নিজের সেরা ফর্ম দেখাতে পারেন, তাহলে বিশ্বকাপে তার জায়গা নিশ্চিত হতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “নেইমারকে তার গুণাবলী প্রমাণ করতে হবে এবং চোটমুক্ত থেকে ধারাবাহিকভাবে খেলতে হবে।”
নেইমার নিজে বলেছিলেন, তিনি স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়ায় “হতাশ এবং বিষণ্ন” হলেও মনোযোগ অক্ষুণ্ন থাকবে। তিনি জানিয়েছেন, “দলের জন্য সবসময় উল্লাস করব, থাকি বা না থাকি।”
আগামী জুন-জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬। নেইমারের সামনে সান্তোসের হয়ে প্রায় ১০টি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকছে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার আগে, যা সম্ভবত ১৯ মে হতে পারে।
ফিটনেস ছাড়া নেইমারের সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই—তিনি ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা (৭৯ গোল)। তবে তার এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো চোটমুক্ত থাকা এবং ধারাবাহিক ফর্ম বজায় রাখা।