সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের প্রবাসী যুবক আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সৌদি আরব সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে আল খারিজ শহরের একটি হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুন গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে। তিনি এক কন্যাসন্তানের জনক ছিলেন। বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বাবা শহীদ সওদাগর।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে ‘আল তোয়াইক বলদিয়া’ কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মামুনসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি প্রবাসী গুরুতর আহত হন। ওই হামলায় ঘটনাস্থলেই কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নামে দুই প্রবাসী নিহত হয়েছিলেন।
বিস্ফোরণে মামুনের শরীরের প্রায় ৭২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে আল খারিজ শহরের ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ ৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মঙ্গলবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
মামুনের মামাতো ভাই শাওন মোড়ল জানান, আমার ভাই ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। রাতে চিকিৎসকেরা তার মৃত্যুর খবর জানান। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুন গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে। তিনি এক কন্যাসন্তানের জনক ছিলেন। বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বাবা শহীদ সওদাগর।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে ‘আল তোয়াইক বলদিয়া’ কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মামুনসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি প্রবাসী গুরুতর আহত হন। ওই হামলায় ঘটনাস্থলেই কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নামে দুই প্রবাসী নিহত হয়েছিলেন।
বিস্ফোরণে মামুনের শরীরের প্রায় ৭২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে আল খারিজ শহরের ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ ৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মঙ্গলবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ওই হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
মামুনের মামাতো ভাই শাওন মোড়ল জানান, আমার ভাই ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। রাতে চিকিৎসকেরা তার মৃত্যুর খবর জানান। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।