ভোলার লালমোহনে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযান চলাকালে যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় একটি স্পিডবোট ডুবে গেছে। এ ঘটনায় ফখরুল ইসলাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবল নিখোঁজ হয়েছেন। দুর্ঘটনায় স্পিডবোটের চালকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (১৮ মার্চ) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে চরফ্যাশনের বেতুয়াগামী এমভি কর্ণফুলী-১২ লঞ্চটি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মঙ্গলসিকদার ঘাটে ভিড়ছিল। ওই সময় উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তিন পুলিশ সদস্যকে নিয়ে একটি স্পিডবোট মেঘনা নদীতে মৎস্য রক্ষা অভিযানে বের হচ্ছিল। লঞ্চটি ঘাটে ভেড়ানোর সময় এর পেছনের প্রপেলারের (পাখা) ধাক্কায় স্পিডবোটটি মুহূর্তেই উল্টে যায়।
স্পিডবোটটি ডুবে যাওয়ার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ছয়জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও কনস্টেবল ফখরুল ইসলাম নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ পুলিশ সদস্য মো. ফখরুল আলম লাবলু বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম চরাদি গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল মালেক হাওলাদারের ছেলে। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।
আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে স্পিডবোট চালক মো. ইয়ামিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লালমোহনে স্পিডবোট ডুবিতে নিখোঁজ পুলিশ সদস্য ফখরুল ইসলামকে উদ্ধারে দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উপজেলার মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছে নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ২০ জন ডুবুরি একযোগে কাজ করছেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম উদ্ধারকাজের সার্বিক তদারকি করছেন। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় পুলিশ নদীতে অভিযান শুরু করেছিল। আজ সকাল থেকে বিশেষায়িত তিন সংস্থার ডুবুরি দল এসে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, নিখোঁজ পুলিশ সদস্যকে জীবিত অথবা মৃত- যেভাবেই হোক উদ্ধার না করা পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। ডুবুরিরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
উদ্ধার অভিযানকে কেন্দ্র করে মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট এলাকায় নিখোঁজ ফখরুলের স্বজন ও উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে উৎকণ্ঠা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে চরফ্যাশনের বেতুয়াগামী এমভি কর্ণফুলী-১২ লঞ্চটি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মঙ্গলসিকদার ঘাটে ভিড়ছিল। ওই সময় উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তিন পুলিশ সদস্যকে নিয়ে একটি স্পিডবোট মেঘনা নদীতে মৎস্য রক্ষা অভিযানে বের হচ্ছিল। লঞ্চটি ঘাটে ভেড়ানোর সময় এর পেছনের প্রপেলারের (পাখা) ধাক্কায় স্পিডবোটটি মুহূর্তেই উল্টে যায়।
স্পিডবোটটি ডুবে যাওয়ার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ছয়জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও কনস্টেবল ফখরুল ইসলাম নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ পুলিশ সদস্য মো. ফখরুল আলম লাবলু বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম চরাদি গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল মালেক হাওলাদারের ছেলে। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।
আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে স্পিডবোট চালক মো. ইয়ামিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লালমোহনে স্পিডবোট ডুবিতে নিখোঁজ পুলিশ সদস্য ফখরুল ইসলামকে উদ্ধারে দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উপজেলার মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছে নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ২০ জন ডুবুরি একযোগে কাজ করছেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম উদ্ধারকাজের সার্বিক তদারকি করছেন। তিনি জানান, ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় পুলিশ নদীতে অভিযান শুরু করেছিল। আজ সকাল থেকে বিশেষায়িত তিন সংস্থার ডুবুরি দল এসে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, নিখোঁজ পুলিশ সদস্যকে জীবিত অথবা মৃত- যেভাবেই হোক উদ্ধার না করা পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। ডুবুরিরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
উদ্ধার অভিযানকে কেন্দ্র করে মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট এলাকায় নিখোঁজ ফখরুলের স্বজন ও উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে উৎকণ্ঠা।