পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিগত বছরের মতো এ বছরও র্যাব বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীটি।এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২০ মার্চ) র্যাবের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কর্নেল ইফতেখার আহমেদ রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন করেন এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়া আইন ও গণমাধ্যম শাখা জানায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে কয়েক দফা নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাব। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করতে পারেন সেই লক্ষ্যে র্যাবের পক্ষ থেকে কয়েক দফার এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ঈদ উপলক্ষ্যে র্যাবের পক্ষ থেকে নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো হলো :
১। ঈদুল ফিতরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব সারা দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। ব্যাটালিয়গুলো নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পর্যাপ্তসংখ্যক র্যাব সদস্য মোতায়েন রেখেছে।
২। দেশব্যাপী পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য রয়েছে র্যাবের কন্ট্রোল রুম, স্ট্রাইকিং রিজার্ভ, ফুট ও মোবাইল পেট্রোল, ভেহিক্যাল স্ক্যানার, অবজারভেশন পোস্ট, চেকপোস্ট এবং সিসিটিভি মনিটরিং।
৩। ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী ঘরমুখী মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি র্যাবের সেবা সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সব ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল, ফেরিঘাট এবং গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগম স্থানে বিশেষ নজরদারি রয়েছে।
৪। যাত্রী হয়রানি রোধে টিকিট নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজি বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৫। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহে (জাতীয় ঈদগাহ, শোলাকিয়া ঈদগাহ ও দিনাজপুর বড় ঈদগাহ) নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহসহ গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহগুলোতে নিরাপত্তা সুইপিং করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সিসিটিভি কাভারেজ থাকবে।
৬। রাজধানীসহ সারাদেশে ঈদের ছুটিতে যাওয়া মানুষের বাসস্থান, কর্মস্থল, শপিংমলসহ অন্যান্য স্থানে চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধে র্যাবের নজরদারি ও টহল বাড়ানো হয়েছে।
৭। ভার্চুয়াল জগতে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের গুজব/উসকানিমূলক তথ্য/মিথ্যা তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে র্যাব সাইবার মনিটরিং টিম অনলাইনে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রাখছে।
র্যাব জানায়, আগের বছরগুলোর মতো এ বছরও অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে দেশের মানুষ ঈদের আনন্দে শামিল হবে। এ উপলক্ষ্যে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সবার সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।
ঈদ উপলক্ষ্যে র্যাবের পক্ষ থেকে নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো হলো :
১। ঈদুল ফিতরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব সারা দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। ব্যাটালিয়গুলো নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পর্যাপ্তসংখ্যক র্যাব সদস্য মোতায়েন রেখেছে।
২। দেশব্যাপী পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য রয়েছে র্যাবের কন্ট্রোল রুম, স্ট্রাইকিং রিজার্ভ, ফুট ও মোবাইল পেট্রোল, ভেহিক্যাল স্ক্যানার, অবজারভেশন পোস্ট, চেকপোস্ট এবং সিসিটিভি মনিটরিং।
৩। ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী ঘরমুখী মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি র্যাবের সেবা সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সব ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল, ফেরিঘাট এবং গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগম স্থানে বিশেষ নজরদারি রয়েছে।
৪। যাত্রী হয়রানি রোধে টিকিট নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজি বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৫। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহে (জাতীয় ঈদগাহ, শোলাকিয়া ঈদগাহ ও দিনাজপুর বড় ঈদগাহ) নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহসহ গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহগুলোতে নিরাপত্তা সুইপিং করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সিসিটিভি কাভারেজ থাকবে।
৬। রাজধানীসহ সারাদেশে ঈদের ছুটিতে যাওয়া মানুষের বাসস্থান, কর্মস্থল, শপিংমলসহ অন্যান্য স্থানে চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধে র্যাবের নজরদারি ও টহল বাড়ানো হয়েছে।
৭। ভার্চুয়াল জগতে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের গুজব/উসকানিমূলক তথ্য/মিথ্যা তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে র্যাব সাইবার মনিটরিং টিম অনলাইনে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রাখছে।
র্যাব জানায়, আগের বছরগুলোর মতো এ বছরও অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে দেশের মানুষ ঈদের আনন্দে শামিল হবে। এ উপলক্ষ্যে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সবার সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।