কম্বোডিয়া থেকে নির্বাসিত হয়ে তাইওয়ানের তাওয়ুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাইওয়ানি দুই ইউটিউবারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০২৪ সালে কম্বোডিয়ায় মিহানুকভিলে একটি ভুয়া অপহরণের নাটক সাজানোর অপরাধে দুই বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন তারা।
শুক্রবার (২০ মার্চ) তাইওয়ানের সংবাদ সংস্থা তাইওয়ান ফোকাস এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চেন নেং-চুয়ান এবং লু সু-হসিয়েন। চেন নেং-চুয়ান ‘গুডনাইট চিকেন’ এবং লু সু-হসিয়েন ‘অ্যানো’ নামে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে থাকা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তার করেছে।
তাইপের শিলিন, কিনমেন ও মিয়াওলির প্রসিকিউটররা সম্পত্তিহানি, স্বাধীনতায় বাধা এবং প্রতারণাসহ একাধিক অপরাধের জন্য খুঁজছিলেন গ্রেপ্তারকৃতদের। এলাকাগুলোয় তাদের দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন প্রসিকিউটররা।এদিকে বিমানবন্দরে গ্রেপ্তারের পর আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তায় থেকে চেন নেং-চুয়ান সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে গত দু-এক বছরে তাইওয়ানের সম্পদ অপচয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভুয়া ভিডিওর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
দক্ষিণ-পশ্চিম কম্বোডিয়ার উপকূলীয় শহর সিহানুকভিল বিভিন্ন সময় নানা ধরনের প্রতারণার আখড়া হিসেবে কুখ্যাতি অর্জন করেছে। যেখানে তাইওয়ানের কিছু নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের মানুষকে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখানো হয় এবং পরে তাদের দিয়ে প্রতারণামূলক কাজ করাতে বাধ্য করা হয়। অপহরণ ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন নির্যাতনের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে অস্বাভাবিকভাবে কনটেন্টের জন্য পরিচিতি লাভ করেন চেন নেং-চুয়ান। বর্তমানে ইউটিউবে তার সাবস্ক্রাইবার রয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি লাইভস্ট্রিম করেন, এতে তিনি লু সু-হসিয়েনের সহায়তায় একটি অপহরণের চেষ্টা থেকে পালিয়ে যাওয়ার নাটক সাজান।
ভিডিওগুলো দেখার পর স্থানীয় পুলিশ নিখোঁজ ব্যক্তির ব্যাপারে সতর্কতা জারি করে এবং পরবর্তীতে অপহরণের ঘটনা সাজানোর জন্য ব্যবহৃত জিনিসপত্রসহ একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তাদের খুঁজে পায়। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় তাদের দু’জনকে। তারপর প্রে সিহানুক প্রাদেশিক আদালত ‘সামাজিক বিশৃঙ্খলায় উস্কানি ও তা ঘটানোর’ দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন তাদের।
শুক্রবার (২০ মার্চ) তাইওয়ানের সংবাদ সংস্থা তাইওয়ান ফোকাস এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চেন নেং-চুয়ান এবং লু সু-হসিয়েন। চেন নেং-চুয়ান ‘গুডনাইট চিকেন’ এবং লু সু-হসিয়েন ‘অ্যানো’ নামে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে থাকা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তার করেছে।
তাইপের শিলিন, কিনমেন ও মিয়াওলির প্রসিকিউটররা সম্পত্তিহানি, স্বাধীনতায় বাধা এবং প্রতারণাসহ একাধিক অপরাধের জন্য খুঁজছিলেন গ্রেপ্তারকৃতদের। এলাকাগুলোয় তাদের দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন প্রসিকিউটররা।এদিকে বিমানবন্দরে গ্রেপ্তারের পর আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের নিরাপত্তায় থেকে চেন নেং-চুয়ান সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে গত দু-এক বছরে তাইওয়ানের সম্পদ অপচয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভুয়া ভিডিওর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
দক্ষিণ-পশ্চিম কম্বোডিয়ার উপকূলীয় শহর সিহানুকভিল বিভিন্ন সময় নানা ধরনের প্রতারণার আখড়া হিসেবে কুখ্যাতি অর্জন করেছে। যেখানে তাইওয়ানের কিছু নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের মানুষকে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখানো হয় এবং পরে তাদের দিয়ে প্রতারণামূলক কাজ করাতে বাধ্য করা হয়। অপহরণ ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন নির্যাতনের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে অস্বাভাবিকভাবে কনটেন্টের জন্য পরিচিতি লাভ করেন চেন নেং-চুয়ান। বর্তমানে ইউটিউবে তার সাবস্ক্রাইবার রয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি লাইভস্ট্রিম করেন, এতে তিনি লু সু-হসিয়েনের সহায়তায় একটি অপহরণের চেষ্টা থেকে পালিয়ে যাওয়ার নাটক সাজান।
ভিডিওগুলো দেখার পর স্থানীয় পুলিশ নিখোঁজ ব্যক্তির ব্যাপারে সতর্কতা জারি করে এবং পরবর্তীতে অপহরণের ঘটনা সাজানোর জন্য ব্যবহৃত জিনিসপত্রসহ একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তাদের খুঁজে পায়। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় তাদের দু’জনকে। তারপর প্রে সিহানুক প্রাদেশিক আদালত ‘সামাজিক বিশৃঙ্খলায় উস্কানি ও তা ঘটানোর’ দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন তাদের।