সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান থেকে প্রায় ৬০টি ড্রোন ছোড়া হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব ড্রোনের সবই তারা ভূপাতিত করেছে। তবে হামলার মূল লক্ষ্য ছিল দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ, যেখানে সৌদির অধিকাংশ জ্বালানি স্থাপনা, রপ্তানি টার্মিনাল ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র অবস্থিত।আল জাজিরা জানিয়েছে, সৌদি আরবের এক অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল দেশটির আত্মরক্ষার সক্ষমতা নিয়ে দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই অঞ্চলে সৌদি আরবের বিমানবাহিনী সবচেয়ে শক্তিশালী ও আধুনিক বাহিনীগুলোর একটি।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ছোড়া ড্রোনগুলোর বেশির ভাগই সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই অঞ্চলটি সৌদি আরবের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটির বিপুল জ্বালানি সম্পদ ও প্রধান স্থাপনাগুলোর বেশির ভাগই এখানেই অবস্থিত।অন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় সৌদি আরবের একটি বাড়তি সুবিধাও রয়েছে। লোহিত সাগর হয়ে তাদের একটি বিকল্প রপ্তানি পথ আছে। বর্তমানে সৌদি আরবের ৩০ শতাংশ জ্বালানি এই পথ দিয়ে বিশ্ববাজারে যাচ্ছে।তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র শুধু পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। উপকূলীয় শহর ইয়ানবুতেও হামলা হয়েছে। এই শহরেও একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা রয়েছে।সব মিলিয়ে এই হামলাগুলো সৌদি অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করছে। কারণ, জ্বালানিই দেশটির অর্থনীতির প্রাণশক্তি।
সূত্র : আল জাজিরা
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ছোড়া ড্রোনগুলোর বেশির ভাগই সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই অঞ্চলটি সৌদি আরবের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটির বিপুল জ্বালানি সম্পদ ও প্রধান স্থাপনাগুলোর বেশির ভাগই এখানেই অবস্থিত।অন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় সৌদি আরবের একটি বাড়তি সুবিধাও রয়েছে। লোহিত সাগর হয়ে তাদের একটি বিকল্প রপ্তানি পথ আছে। বর্তমানে সৌদি আরবের ৩০ শতাংশ জ্বালানি এই পথ দিয়ে বিশ্ববাজারে যাচ্ছে।তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র শুধু পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। উপকূলীয় শহর ইয়ানবুতেও হামলা হয়েছে। এই শহরেও একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা রয়েছে।সব মিলিয়ে এই হামলাগুলো সৌদি অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করছে। কারণ, জ্বালানিই দেশটির অর্থনীতির প্রাণশক্তি।
সূত্র : আল জাজিরা