কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের পরিচয় জানা গেছে। মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী ছাড়াও এক গৃহবধূসহ তার ২ কন্যা সন্তান রয়েছে। সবমিলিয়ে দুর্ঘটনায় ৭ জন পুরুষ ছাড়াও ২ জন নারী ও তিন শিশু রয়েছে।
নিহতরা হলেন- যশোরের লাইজু আক্তার (২৬) ও তার দুই মেয়ে খাদিজা (৬) এবং মরিয়ম (৩), চাঁদপুরের চাপাতলি এলাকার মমিনুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম (৬৭), ঝিনাইদহের মোক্তার বিশ্বাসের ছেলে জুহাদ বিশ্বাস (২৪), যশোরের চৌগাছা উপজেলার সিরাজুল ইসলাম (৭০) ও তার স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৫৫) এবং নোয়াখালী সোনাইমুড়ি উপজেলার বাবুল চৌধুরী (৫৫)।
এছাড়াও বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত অন্যরা হলেন- মাগুরার মোহাম্মদপুর এলাকার ওহাব শেখের ছেলে ফচিয়ার রহমান (২৬), চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (২৫), নোয়াখালীর ফাজিলপুরের মো. সেলিমের ছেলে নজরুল ইসলাম রায়হান (৪৫) এবং লক্ষ্মীপুর সদরের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সাঈদা (৯)।
এর আগে শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার রেল ক্রসিং এলাকায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, রাতে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ওয়ান আপ ট্রেন কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার রেল ক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে রেললাইনের ওপরে থাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী মামুন স্পেশাল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। ওই সময় বাসটিকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় ট্রেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ট্রেনের যাত্রী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, রেল গেইটের সিগন্যাল ম্যানের অবহেলার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনা পর ট্রিপল নাইনে অনেকবার ফোন দিলেও কেউ রেসপন্স করেনি। এ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
এ ঘটনায় পৃথক ৩টি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে এ ঘটনায় হেলাল ও মেহেদী হাসান নামে দুই গেটম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনার তদন্তে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন- যশোরের লাইজু আক্তার (২৬) ও তার দুই মেয়ে খাদিজা (৬) এবং মরিয়ম (৩), চাঁদপুরের চাপাতলি এলাকার মমিনুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম (৬৭), ঝিনাইদহের মোক্তার বিশ্বাসের ছেলে জুহাদ বিশ্বাস (২৪), যশোরের চৌগাছা উপজেলার সিরাজুল ইসলাম (৭০) ও তার স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৫৫) এবং নোয়াখালী সোনাইমুড়ি উপজেলার বাবুল চৌধুরী (৫৫)।
এছাড়াও বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত অন্যরা হলেন- মাগুরার মোহাম্মদপুর এলাকার ওহাব শেখের ছেলে ফচিয়ার রহমান (২৬), চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (২৫), নোয়াখালীর ফাজিলপুরের মো. সেলিমের ছেলে নজরুল ইসলাম রায়হান (৪৫) এবং লক্ষ্মীপুর সদরের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সাঈদা (৯)।
এর আগে শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার রেল ক্রসিং এলাকায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, রাতে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ওয়ান আপ ট্রেন কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার রেল ক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে রেললাইনের ওপরে থাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী মামুন স্পেশাল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। ওই সময় বাসটিকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় ট্রেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ট্রেনের যাত্রী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, রেল গেইটের সিগন্যাল ম্যানের অবহেলার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনা পর ট্রিপল নাইনে অনেকবার ফোন দিলেও কেউ রেসপন্স করেনি। এ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
এ ঘটনায় পৃথক ৩টি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে এ ঘটনায় হেলাল ও মেহেদী হাসান নামে দুই গেটম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনার তদন্তে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।