দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওটিকে অনেকেই ইসরায়েলকে ব্যঙ্গ বা অপমান করে তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলছেন।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারসের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাকারি স্কেটবোর্ডে দাঁড়িয়ে এক হাতে সেলফি স্ট্যান্ড ধরে আছেন এবং অন্য হাতে ডালিমের জুস পান করছেন। এ সময় তার পেছনে মিসাইল উৎক্ষেপণের দৃশ্য দেখা যায়।
ভিডিওতে রসিকতার ছলে বলা হয়, ডালিমের জুস পান করলে তেল আবিবে হামলা আরও ‘নির্ভুল’ হবে। এই মন্তব্য ঘিরেই সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকেই এটিকে চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে ‘উসকানিমূলক’ বলে অভিহিত করছেন।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দক্ষিণ আফ্রিকায় ইরানি দূতাবাসের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্ল্যাটফর্মেও এটি শেয়ার করা হয়েছে।
তবে ভিডিওটির সত্যতা বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি দূতাবাস কর্তৃপক্ষ। পোস্টটির ক্যাপশনে এটিকে ‘ফান পোস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, অনেকের মতে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এমন কনটেন্ট আরও বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ বাড়াতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন ভিডিও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন করে বিতর্ক ও কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারসের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাকারি স্কেটবোর্ডে দাঁড়িয়ে এক হাতে সেলফি স্ট্যান্ড ধরে আছেন এবং অন্য হাতে ডালিমের জুস পান করছেন। এ সময় তার পেছনে মিসাইল উৎক্ষেপণের দৃশ্য দেখা যায়।
ভিডিওতে রসিকতার ছলে বলা হয়, ডালিমের জুস পান করলে তেল আবিবে হামলা আরও ‘নির্ভুল’ হবে। এই মন্তব্য ঘিরেই সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকেই এটিকে চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে ‘উসকানিমূলক’ বলে অভিহিত করছেন।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দক্ষিণ আফ্রিকায় ইরানি দূতাবাসের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্ল্যাটফর্মেও এটি শেয়ার করা হয়েছে।
তবে ভিডিওটির সত্যতা বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি দূতাবাস কর্তৃপক্ষ। পোস্টটির ক্যাপশনে এটিকে ‘ফান পোস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, অনেকের মতে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এমন কনটেন্ট আরও বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ বাড়াতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন ভিডিও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন করে বিতর্ক ও কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।