ইসলামাবাদে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. বদর আবদেলাত্তিকে স্বাগত জানানোর সময় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার পা পিছলে মেঝেতে পড়ে যান। পড়ে যাওয়ার ফলে তার কাঁধে সূক্ষ্ম ফাটল (হেয়ারলাইন ফ্র্যাকচার) হয়েছে। এই তথ্য শুক্রবার তার ছেলে আলি দার জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে শেয়ার হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বৈঠকের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ঐদিন ইসলামাবাদে সৌদি আরব, মিসর ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত সমাধানের আলোচনা করতে এসেছিলেন।
আলি দার জানান, ব্যথা সত্ত্বেও তার বাবা সারাদিন বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। রাত ৯টার দিকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি রেকর্ড করার পর পরিবারের অনুরোধে তিনি মেডিকেল চেক-আপ করান। এক্স-রে রিপোর্টে দেখা গেছে, কাঁধে হেয়ারলাইন ফ্র্যাকচার আছে, তবে সার্বিকভাবে সব ঠিক আছে।
রবিবার বৈঠকের পর ইসহাক দার বলেন, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা সহজ করার চেষ্টা করছে, যাতে চলমান সংঘাতের স্থায়ী সমাধান করা যায়। তিনি উল্লেখ করেছেন, মিসর, তুরস্ক ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৃহত্তর অঞ্চলের মানুষ এবং জীবিকার ওপর সংঘাতের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।তিনি বলেন, ‘চলমান সংঘাতের একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য আগামী দিনগুলোতে দুই পক্ষের মধ্যে অর্থপূর্ণ আলোচনার আয়োজন ও সহজতর করতে পারলে পাকিস্তান সম্মানিত বোধ করবে।
বৃহত্তর এই অঞ্চলজুড়ে জীবন ও জীবিকার ওপর এর বিধ্বংসী প্রভাবের কারণে চলমান এই সংঘাত অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। মিসর, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।’
সূত্র : আরব নিউজ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে শেয়ার হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বৈঠকের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ঐদিন ইসলামাবাদে সৌদি আরব, মিসর ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত সমাধানের আলোচনা করতে এসেছিলেন।
আলি দার জানান, ব্যথা সত্ত্বেও তার বাবা সারাদিন বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। রাত ৯টার দিকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি রেকর্ড করার পর পরিবারের অনুরোধে তিনি মেডিকেল চেক-আপ করান। এক্স-রে রিপোর্টে দেখা গেছে, কাঁধে হেয়ারলাইন ফ্র্যাকচার আছে, তবে সার্বিকভাবে সব ঠিক আছে।
রবিবার বৈঠকের পর ইসহাক দার বলেন, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা সহজ করার চেষ্টা করছে, যাতে চলমান সংঘাতের স্থায়ী সমাধান করা যায়। তিনি উল্লেখ করেছেন, মিসর, তুরস্ক ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৃহত্তর অঞ্চলের মানুষ এবং জীবিকার ওপর সংঘাতের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।তিনি বলেন, ‘চলমান সংঘাতের একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য আগামী দিনগুলোতে দুই পক্ষের মধ্যে অর্থপূর্ণ আলোচনার আয়োজন ও সহজতর করতে পারলে পাকিস্তান সম্মানিত বোধ করবে।
বৃহত্তর এই অঞ্চলজুড়ে জীবন ও জীবিকার ওপর এর বিধ্বংসী প্রভাবের কারণে চলমান এই সংঘাত অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। মিসর, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।’
সূত্র : আরব নিউজ।