জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার সাঁতার গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন ধানক্ষেত থেকে আশুরা (৩৫) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে স্থানীয়রা ওই ধানক্ষেতে মরদেহটি দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত আশুরা একই গ্রামের মোফাজ্জল ওরফে মফের ছেলে বাবলুর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী বলে জানা গেছে। বাবলুর তিনজন স্ত্রী ছিল, যার মধ্যে আশুরা ছিলেন তৃতীয়। ডিভোর্সের পর আশুরা আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌতুকের মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বাবলু তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আশুরাকে নিয়ে দিনভর বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন। স্থানীয় বাজারেও তাদের একসঙ্গে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই দিন সন্ধ্যায় বাড়ির পাশেই সিরাজুল ইসলামের জমিতে আশুরাকে হত্যা করা হয়।
মরদেহ উদ্ধারের সময় নিহতের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি স্যান্ডেল, একটি গেঞ্জি এবং কাদামাখা লুঙ্গি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই বাবলু পলাতক রয়েছে।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাতক বাবলুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
নিহত আশুরা একই গ্রামের মোফাজ্জল ওরফে মফের ছেলে বাবলুর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী বলে জানা গেছে। বাবলুর তিনজন স্ত্রী ছিল, যার মধ্যে আশুরা ছিলেন তৃতীয়। ডিভোর্সের পর আশুরা আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌতুকের মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বাবলু তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আশুরাকে নিয়ে দিনভর বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন। স্থানীয় বাজারেও তাদের একসঙ্গে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই দিন সন্ধ্যায় বাড়ির পাশেই সিরাজুল ইসলামের জমিতে আশুরাকে হত্যা করা হয়।
মরদেহ উদ্ধারের সময় নিহতের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি স্যান্ডেল, একটি গেঞ্জি এবং কাদামাখা লুঙ্গি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই বাবলু পলাতক রয়েছে।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাতক বাবলুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।