ড. সাইমুম পারভেজ, বিএনপি চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির বিশেষ সহকারী এবং কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য। তিনি বর্তমানে দলটির থিঙ্কট্যাংক ও কনটেন্ট জেনারেশন টিমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন কমিটিতেও যুক্ত ছিলেন। এছাড়া সরকারের ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট হিসেবেও কাজ করছেন তিনি।সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দলের নীতি, সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প, রাজনৈতিক পরিকল্পনা এবং আঞ্চলিক সম্পর্কসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আকরাম হোসেন ও অনন্য আফরোজ।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগেই বিএনপি যেসব সামাজিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা করেছিল, তার অনেকগুলো ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা—এসব প্রকল্প ধাপে ধাপে চালু করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষায়, এসব উদ্যোগ কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ, যা প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।তিনি আরও বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিদ্যমান বাজেট কাঠামোর মধ্যেই এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সরাসরি জনগণের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। তার মতে, এটি মূলত প্রশাসনিক দক্ষতা ও ম্যানেজমেন্ট পরিবর্তনের বিষয়।
সরকারের কার্যক্রম নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দুর্বল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর করা। তার মতে, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্থার স্বাধীনতা ও সক্ষমতা বাড়ানো না গেলে টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়।
বিএনপির প্রস্তাবিত ২৫ কোটি গাছ লাগানোর প্রকল্প নিয়েও তিনি বিস্তারিত কথা বলেন। তিনি জানান, প্রকল্পটি এখনও পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে ম্যানগ্রোভ বনায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন চরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় প্রথম ধাপে দেড় কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্য রয়েছে।
তার মতে, এই প্রকল্প শুধু পরিবেশ রক্ষায় নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কার্বন ক্রেডিটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের সম্ভাবনাও তিনি উল্লেখ করেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রথম পর্যায়ে এসব এলাকায় মানব বসতি গড়ে তোলা হবে না; আগে ভূমি ও পরিবেশ স্থিতিশীল করা হবে।
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে জাইমা রহমানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান এখনো নির্ধারিত নয়, তবে তার অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক এক্সপোজার দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, তার সক্রিয় ভূমিকা ইতিবাচক হবে, তবে সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সময় ও পরিস্থিতির ওপর।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, পররাষ্ট্রনীতিতে পারস্পরিক সম্মান ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিকে গুরুত্ব দিতে হবে। তার মতে, বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং সম্পর্ক হতে হবে ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তববাদী।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগেই বিএনপি যেসব সামাজিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা করেছিল, তার অনেকগুলো ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা—এসব প্রকল্প ধাপে ধাপে চালু করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষায়, এসব উদ্যোগ কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ, যা প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।তিনি আরও বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিদ্যমান বাজেট কাঠামোর মধ্যেই এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সরাসরি জনগণের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। তার মতে, এটি মূলত প্রশাসনিক দক্ষতা ও ম্যানেজমেন্ট পরিবর্তনের বিষয়।
সরকারের কার্যক্রম নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দুর্বল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর করা। তার মতে, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্থার স্বাধীনতা ও সক্ষমতা বাড়ানো না গেলে টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়।
বিএনপির প্রস্তাবিত ২৫ কোটি গাছ লাগানোর প্রকল্প নিয়েও তিনি বিস্তারিত কথা বলেন। তিনি জানান, প্রকল্পটি এখনও পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে ম্যানগ্রোভ বনায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন চরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় প্রথম ধাপে দেড় কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্য রয়েছে।
তার মতে, এই প্রকল্প শুধু পরিবেশ রক্ষায় নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কার্বন ক্রেডিটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের সম্ভাবনাও তিনি উল্লেখ করেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রথম পর্যায়ে এসব এলাকায় মানব বসতি গড়ে তোলা হবে না; আগে ভূমি ও পরিবেশ স্থিতিশীল করা হবে।
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে জাইমা রহমানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান এখনো নির্ধারিত নয়, তবে তার অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক এক্সপোজার দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, তার সক্রিয় ভূমিকা ইতিবাচক হবে, তবে সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সময় ও পরিস্থিতির ওপর।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, পররাষ্ট্রনীতিতে পারস্পরিক সম্মান ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিকে গুরুত্ব দিতে হবে। তার মতে, বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং সম্পর্ক হতে হবে ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তববাদী।